1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়া পৌরসভার উদ্যোগে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ আবারোও কাপ্তাইয়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমান অভিযান ৯ টি মামলা ও জরিমানা আদায় দেখার হাওরে কৃষকের ধান কেটে দিলেন উপজেলা প্রশাসন ও যুবলীগ দূর্গম পাহাড়ের দরিদ্র মেডিকেলে চান্স পাওয়া মেধাবী ছাত্রের পড়াশুনার দায়িত্ব নেন চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান যশোরের বেনাপোল সিমান্তে ইয়াবাসহ আটক-১ মাধবপুরে দেয়াল দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিবেশী কোভিড – সংক্রমন রোধে কাপ্তাই তথ্য অফিসের এবার নৌ পথে প্রচারণা যশোরের ঝিকরগাছায় দুই সমাজ সেবকের উদ্যোগে অবহেলিত রাস্তার সংস্কার কাপ্তাইয়ে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু

সরকারকে চাপ দিয়ে দাবি আদায় করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলনরত শিক্ষকদের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, সরকারকে চাপ দিয়ে কোনো দাবি আদায় করা যাবে না। যখন-তখন যে কেউ বিক্ষোভ বা দাবি করলেই সরকারের পক্ষে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। কারণ সরকার পরিকল্পনা এবং বাজেট ছাড়া দাবি পূরণ করতে পারে না। গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহস াধিক কলেজ অধ্যক্ষের অংশগ্রহণে আয়োজিত শিক্ষা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘কেউ যদি মনে করেন সরকারের এটা শেষ বছর, কাজেই দাবি করলেই আমরা সব শুনে ফেলব, সেটা সম্ভব নয়। আমি ক্ষমতার পরোয়া করি না। কোথায় কোথায় সরকারিকরণ করতে হবে, কোন নীতিমালার ভিত্তিতে করতে হবে, সেটাওতো একটা নীতিমালার ভিত্তিতেই হতে হবে। এটা সবাইকে অনুধাবন করতে হবে।’

দেশের সম্পদের সীমাবদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দিলেই আরো দাও আরো দাও করলে আমরা দিতে অপারগ হব। কারণ আমাদের একটা বাজেট দিয়ে পরিকল্পিতভাবে চলতে হয়।’ তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকার জন্যই কেবল রাজনীতি করেন না। জাতির পিতার স্বপ্ন অনুযায়ী দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর লক্ষ্য। ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে নিজের বা দলের সম্পদ গড়ে তোলা বা নিজেরা সম্পদশালী হওয়া তাঁর নীতি নয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজেদের (তাঁর এবং ছোট বোন শেখ রেহানার) সামান্য সম্পদটুকুও রাষ্ট্রের জন্য ট্রাষ্ট করে দান করে দেওয়া এবং তাঁদের সন্তানরা নিজেদের উপার্জিত অর্থ দিয়েই অত্যন্ত কষ্ট করে লেখাপড়া শিখে আজকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের বাজেট ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকায় উন্নীত করে দেশকে সাধ্যমত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলের বেতন-ভাতা, অনুদান তাঁর সরকার বাড়িয়ে দিয়েছে, সরকারি-বেসরকারি সব জায়গায় সহযোগিতা করে যাচ্ছে, কাউকে বঞ্চিত করা হচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকতা একটি মহত্ পেশা, আপনাদের হাতেই রয়েছে জাতির ভবিষ্যত্। কি ধরনের শিক্ষাটা আপনারা দিয়ে যেতে পারলেন যাতে ভবিষ্যত্ প্রজন্ম দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে, দেশকে আরো উন্নত করতে পারবে- সেটাই হচ্ছে বড় কথা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষকদের আরো আধুনিক হতে হবে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া একটা দেশে উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে শিক্ষার প্রসার ও উত্কর্ষ সাধনে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি কখনই দেশে শিক্ষার হার বাড়াতে পারেনি। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের সাক্ষরতার হার তাঁর সরকারের রেখে যাওয়া ৬৫ দশমিক ৫ ভাগ থেকে কমিয়ে ৪৪ শতাংশে নিয়ে আসে। অথচ, বর্তমানে দেশে সাক্ষরতার হার ৭২ দশমিক ৩ শতাংশ, যা আরো বাড়ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে ৩৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭২৪ জন শিক্ষকের পদ সরকারি করেন। জাতির পিতার দেখানো পথেই তাঁর সরকার ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং এসব বিদ্যালয়ের ১ লাখ ৩ হাজার ৮৪৫ জন শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করেছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসেইন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.হারুন-অর-রশীদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি ভবন, প্রকল্প ও স্থাপনার উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেগুলো হচ্ছে- মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, স্বাধীনতা ম্যুরাল ১৯৫২ থেকে ১৯৭১, কলেজ শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ডরমেটরি ভবন, আইসিটি ভবন, সিনেট ভবন, কর্মকর্তা ভবন ও কর্মচারী ভবন, বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এবং বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় ১০৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে কলেজ-শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প (সিইডিপি)।

অনুষ্ঠানে র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান অর্জনকারী কলেজের অধ্যক্ষদের হাতে সম্মাননা স্মারক, পুরস্কারের চেক এবং বঙ্গবন্ধুর লেখা দুটি বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজ নামচা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহী কলেজ, জাতীয় পর্যায়ে প্রথম এবং সরকারি কলেজসমূহের মধ্যেও প্রথম স্থান, জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয়-সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা, জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় কারমাইকেল কলেজ, রংপুর, জাতীয় পর্যায়ে ৪র্থ সরকারি ব্রজমোহন কলেজ বরিশাল এবং জাতীয় পর্যায়ে ৫ম স্থান অধিকার করে- সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া। সিদ্ধেশ্বরী মহিলা কলেজ, ঢাকা, জাতীয় পর্যায়ে সেরা মহিলা কলেজ এবং ঢাকা কমার্স কলেজ জাতীয় পর্যায়ে সেরা বেসরকারি কলেজের পুরস্কার লাভ করে।-

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY LatestNews