1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কুষ্টিয়ায় ক্যানুলা খুলতে গিয়ে নবজাতকের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে ফেললেন নার্স দোয়ারাবাজারে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৯০০ কেজি ভারতীয় চা পাতাসহ ব্যাবসায়ী গ্রেফতার আখাউড়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে বাল্য বিবাহ বন্ধ। কাপ্তাই তথ্য অফিস নৌযানে করে মাইকে প্রচার প্রচারণা সমর্পিত আত্ম উপলব্ধি …. মোহাম্মদ হাসানুর রহমান ছাতা মেকার সোহাগের ব্যবসায় ধ্বস, সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন দোয়ারাবাজারে বিপুল পরিমান বিদেশী মদসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জেরে কুঁপিয়ে শরীর থেকে পা বিছিন্ন করল প্রতিপক্ষ প্রিয় সন্তানের দিকে তাকিয়ে ঝু্ঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসুন -কাপ্তাই ইউএনও

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর পড়াশুনা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৩ মে, ২০১৮

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝুকিপূর্ণ ভবনে চলছে পড়াশুনা। বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো ও ভবনের অবস্থা এতটাই নাজুক যে, যেকোনো সময় ধসে পড়তে পড়ার আশঙ্কা করছেন উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুকি নিয়েই ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা।

গজারিয়া প্রাথমিক শিক্ষা, প্রকৌশল কার্যলয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৮৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২০টি বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর অবস্থা নাজুক। কোথায় ফাটল দেখা দিয়েছে। আবার কোথাও খসে গেছে পলেস্তারা। স্থানীয় প্রকৌশল কার্যালয় অনেক ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করলেও সেখানেই চলছে পাঠদান।

৬৬ নং বক্তারকান্দি খায়রুন্নেসা প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটিতে ফাটল দেখা  দেয়ায় সম্প্রতি সিমেন্টের সামান্য প্রলেপ দিয়ে চুনকাম করা হয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল কার্যালয় অনেক আগেই একমাত্র এ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরিফ হোসেন ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি আশরাফউদ্দিন শরীফ জানান, ভবনে গত বছর চুনকাম করা হলেও টয়লেটের ব্যবস্থা নেই শিশুদের।

৬৮ নং পোড়াচক বাউশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের ভাষ্যমতে ঝুঁটিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছেন দীর্ঘদিন ধরে।শিক্ষার্থীরা ভয়ে ক্লাসে আসতে চায় না । কয়েক মাস আগে ছাদের পলেস্তরা খসে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পর শিক্ষার্থী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ১৭০ জন শিক্ষার্থী ও তিন জন শিক্ষক রযেছেন বিদ্যালয়টিতে। তিনকক্ষ বিশিষ্ট ওই বিদ্যালয়টিও পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরিত্যক্ত ঘোষণার তালিকায় রয়েছে ৩৭ নং আঁধার মানিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৮ নং বাঘাইয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ৬৮ নং পোড়াচক বাউশিয়া পঞ্চিমকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৩ নং জামালদী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৪ নং পোড়াচক বাউশিয়া দক্ষিণকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৫ নং বড়ইকান্দি ভাটেরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৬ নং গোসাইরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭৯ নং গজারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫ নং বড় ভাটেরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ নং ভবনের তিনটি কক্ষ, ৩০ নং শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি ভবনের ছয়টি কক্ষ, ৪০ নং বাঁশগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১নং ভবনের তিনটি কক্ষ, ৫১ নং গোয়ালগাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ৬১ নং টেংগারচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন, ০৭ নং বালুয়াকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি টিনশেড ভবন।

এরই মধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে জষ্ঠীতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোট বসুরচর কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুয়াগাছিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈদ্যেরগাঁ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তরশাহাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছেন আনুমানিক পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দক্ষিণ ফুলদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা আগ মূহুর্তে বিদ্যালয়ের মেঝে ধসে দুই শিক্ষক ও বিশ শিক্ষার্থী আহত  হয়েছিলেন।

৭৫নং বড়ইকান্দি ভাটেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েক মাস আগে হঠাৎই দেবে যায় ভবনটির দুটি কক্ষের মেঝের কিছু অংশ। সম্প্রতি ৭নং বালুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের ছাদ থেকে খসে পড়ছে পুরো পলেস্তারা। এ নিয়ে আতঙ্কিত হলেও শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ভবনটির বারান্দায় বসে পাঠদান কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আর বিকল্প উপায়ে আশপাশের  মাদরাসায় ক্লাস কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা চলছে।

গজারিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আরজুরুল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবনগুলোর তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a