1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নতুন বাজার খেলার মাঠের বেহাল দশা: সংস্কার ও দখল মুক্ত চায় ক্রীড়া প্রেমীরা ঝিনাইদহের হরিণান্ডুতে ৭ দিনের লকডাউন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজেন কাউখালীতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং কাপ্তাই সুইডিশ মসজিদে হেলপিং হেন্ডস ফর কাপ্তাইয়ের পক্ষ হতে ২০টি ফ্যান প্রদান ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তে খুলনা বিভাগে শীর্ষে যশোর চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালে “ডু নো হার্ম” বিষয়ক ৪ দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ৩৫ টি পরিবার পাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার- সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকান্ডে ১০টি বসত ঘর পুড়ে ছাই শফিপুর সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহতঃ আহত ২ মেহেরপুরে করোনায় দুজনের মৃত্যু

সুপারশপে ছাড়, খোলাবাজারে কেন নয়?

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮

বছরের প্রায় প্রতিদিনেই কোনো না কোনো পণ্যের দামের ওপর ছাড় দেয়া হয় সুপারশপগুলোতে। চলমান রোজাতেও ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে ভোজ্যতেলসহ বিভিন্ন উপকরণ। কিন্তু খোলাবাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দোকানগুলোতে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলে বাজারের দোকানে কেন দাম বেশি সে বিষয়ে বিক্রেতাদের কাছ থেকে মিলছে না কোনো জবাব।

খোলাবাজারে পাঁচ লিটারের তীর সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকা দরে। কিন্তু সুপারসপ ‘আগোরা’য় একই তেল বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা করে। ক্রেতাদের জন্য ৪০ টাকা ছাড় দিচ্ছে তারা।

একই তেলে ৫১ টাকা ছাড় দিচ্ছে ‘মীনা বাজার’। এছাড়া ৫৬৫ টাকা দামের ট্যাং বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা ছাড়ে।

একইভাবে প্রাণের সুপারশপ ডেইলি শপিংয়ে পাঁচ লিটারের ধানের কুড়ার তেল বা রাইন ব্র্যান ওয়েলে ছাড় আছে ৫০ টাকা। কিন্তু পাশেই মুদির দোকান বা বাজারের দোকানে কোনো ছাড় নেই।

মীনা বাজারের বিক্রেতারা জানান, শুধু রমজান নয়, এমন ছাড় থাকে প্রায় সারা বছর।

সুপারশপ আর বাজারে তেলের দামে ৪০ থেকে ৫০ টাকার পার্থক্য দেখে ক্রেতা মনি বেগম প্রশ্ন  রাখেন, ‘সুপারশপে যে কোম্পানির জিনিস বিক্রি করে, বাইরের বাজারেও তো সেই কোম্পানির জিনিসই আমরা কিনি। একই কোম্পানি দুই জায়গায় দুই রকম দামে জিনিস বিক্রি করে কীভাবে?’

অপর এক ক্রেতা তুষার হাওলাদার বলেন, ‘বাজার থেকে কিছু কিনতে গেলে গায়ের দামের চাইতে কমে পাওয়া যায় না। ওই একই জিনিস সুপারশপে একটা কিনলে একটা ফ্রি। তাহলে এটা কেন হচ্ছে?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে একাধিক মুদি দোকানি দাবি করেন, সুপারশপের জন্য কোম্পানিগুলো আলাদা ছাড় ও অফারের ব্যবস্থা রাখে। কিন্তু তাদেরকে সে পরিমাণ সুবিধা দেয় না। এ কারণে তারা দাম কম রাখতে পারেন না।

মোহাম্মদপুরের আল-বাকালা মুদির দোকানের মালিক মুরাদ হোসেন বলেন, ‘অফার আমরাও পাই। কিন্তু ছোট দোকানে অফারও ছোট। কারণ, সুপারশপে এক চালানে মাল নেয় চার-পাঁচ লাখ টাকার। রোজায় তো আরও বেশি। বড় চালানের মাল নিলে বড় কমিশন পাওয়া যায়। আমাদের তো এত মাল লাগে না। আমাদের যেটুক লাগে আমরা সেইটুকু মাল নিই।’

‘আমরা যেটুক ছাড় পাই তাও কাস্টমারকেও দিই। সব সময় গায়ের দামের চাইতে দু-পাঁচ টাকা কম রাখি।’

তবে বাজারের ব্যবসায়ীরা যে দাবি করেছেন, সেটা পুরোপুরি সঠিক নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমার পর দুটি শীর্ষ কোম্পানির পরিবেশক প্রতি ২০ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কিনলে দুই লিটার বিনামূল্যে দিচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের। অর্থাৎ ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে তারা।

কিন্তু এর কোনো সুফল পাচ্ছে না ভোক্তারা। খুচরা বিক্রেতারা পাঁচ লিটারের বোতল প্রতি ৪৩ থেকে ৫০ টাকা লাভ করছেন।

আবার বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তেলে বিক্রেতাদের ছাড় দিলেও তারা বোতলের গায়ে সর্বোচ্চ লেখা বিক্রয়মূল্য একটুকু কমায়নি। এর কারণ কী, সেটা অজানাই রয়ে গেছে।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে পাইকারি দোকান হেলাল জেনারেল স্টোর-এর মালিক মাসুদ রানা বলেন, ‘আমরা কম রাখি। পাইকারি দোকানে তো আর খুচরা দামে বেচাকেনা হয় না। আমাদের যারা নিয়মিত কাস্টমার তারা জানে। তারা কমে নিতে আমাদের কাছে আসে।’

‘তবে আমাদের কাছে ডিসকাউন্ট চাইলে বেশি করে বাজার করতে হবে। আমরাও দেব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a