1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
কাপ্তাইয়ে ৬ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, অতঃপর ধ্বংস কাপ্তাইয়ে মাদক বিরোধী সভা কাপ্তাইয়ের নিরাপদ খাদ্য আইন মামলায় ২টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা আখাউড়ায় সাংবাদিক লায়ন রাকেশ কুমার ঘোষের জন্মদিন পালিত কাপ্তাইয়ের ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু কাপ্তাইয়ে এমপির ঐচ্ছিক তহবিল হতে ১লাখ ৯০টাকার অনুদান প্রদান কাপ্তাই জেলেদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ করেছেন-দীপংকর তালুকদার এমপি কাপ্তাইয়ে বীরমুক্তিযোদ্ধা জোবায়েদ আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন বাকেরগঞ্জে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত মহা তাঁবুজলসা ও সনদ বিতরণ কাপ্তাই নৌ স্কাউটসের ১৭৬ তম পারদর্শিতা ব্যাজ কোর্সের সমাপনী

গ্রামের মানুষের ঋণের উৎস এনজিও

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০১৯

গ্রামে ব্যাংকগুলোর শাখা থাকলেও জনগণের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি। ফলে সেখানকার মানুষের ঋণের অন্যতম উৎস এনজিও। পল্লী এলাকার ৬৩ দশমিক ২৮ শতাংশ মানুষ এনজিও থেকে ঋণ নিচ্ছে বলে পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘কৃষি ও পল্লী পরিসংখ্যান রিপোর্ট-২০১৮’-এ উঠে এসেছে।

রোববার (৭ জুলাই) রাজধানীর আগাঁরগাও-এ পরিসংখ্যান ভবনে প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর অতিরিক্ত সচিব বিকাশ কুমার দাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা আক্তার। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক আক্তার হোসেন খান।

অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, গ্রামে ব্যাংকগুলোর শাখা থাকলেও সেগুলো জনগণের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি। ফলে গ্রামে এনজিওর প্রাধান্য বিদ্যমান। অধিকাংশ মানুষই ফসল উৎপাদনের জন্য এনজিও থেকে ঋণ নিচ্ছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পল্লী এলাকার ৬৩ দশমিক ২৮ শতাংশ লোক এনজিও থেকে ঋণ নিচ্ছে। এছাড়া ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে ২৬ দশমিক শূন্য তিন শতাংশ, মহাজনদের কাছ থেকে তিন দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং আত্মীয় স্বজনদের কাছ নিচ্ছে তিন দশমিক ৭৫ শতাংশ মানুষ। এ ঋণ নেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে ফসল আবাদ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পল্লী এলাকার মানুষদের ৬২ দশমিক ১৫ শতাংশ ঋণ নেয় ফসল আবাদের জন্য। এছাড়া পশুপালনের জন্য আট দশমিক ৫৪ শতাংশ, বাড়ি নির্মাণ বা মেরামতের জন্য ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ, চিকিৎসার জন্য চার দশমিক ৯৪ শতাংশ, শিক্ষার জন্য দুই দশমিক ৪৭ শতাংশ, বিবাহের জন্য চার দশমিক ১১ শতাংশ এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যে ঋণ নেয় পাঁচ দশমিক ৪৬ শতাংশ মানুষ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পল্লী এলাকার এক একটি পরিবার বার্ষিক আয় করে দই লাখ দুই হাজার ৭২৪ টাকা। এর মধ্যে কৃষিখাত থেকে আসে ৭৭ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং অকৃষিখাত থেকে আসে এক লাখ ২৫ হাজার ২৬৭ টাকা।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পল্লী এলাকায় মোট ১২ কোটি পাঁচ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৫ জন বসবাস করে। এর মধ্যে পুরুষ ছয় কোটি ১৮ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন, মহিলা পাঁচ কোটি ৮৭ লাখ ১ হাজার ৮০৩ জন এবং হিজড়া ২২ হাজার ৭২০ জন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a