1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
শান্তিচুক্তির ২৪বছর পূর্তি উপলক্ষে কাপ্তাই জোনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে জেলা ছাত্রলীগের কলম ও মাক্স বিতরণ আখাউড়ায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে বার্ণাঢ্য র‍্যালী আখাউড়া সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের জয়েন্ট রিট্রিট সিরিমনি অনুষ্ঠিত কাপ্তাই সেনাজোন শান্তিচুক্তির দু’যুগ পূর্তি উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কাউখালীতে গণশুনানী ও মানবন্ধন চন্দ্রঘোনা থানা পলিথিন মোড়ানো চোলাই মদ ও অটোরিকশা সহ পাচারকারীকে আটক

ভোলায় জনবল সংকটে স্বাস্থ্য বিভাগ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

ভোলা প্রতিনিধি।

চিকিৎসক সংকটে ধুকছে ভোলার স্বাস্থ্যবিভাগ। জেলার ১টি সদর হাসপাতাল, একটি টিভি ক্লিনিক, ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ও ৬২টি ইউনিয়ন ক্লিনিকে চিকিৎসকের ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম। ভোগান্তিতে পড়ছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সাধারন মানুষ।
বিশেষ করে জেলা সদর হাসপাতালের উপর এখানকার মানুষ নির্ভরশীল থাকলেও সেখানে রয়েছে চিকিৎসকের ১০টি পদ শূন্য। হাসপাতালগুলোতে গাইনি, কার্ডিওলজিস্ট, সার্জারি ও চক্ষুসহ গুরুপ্তপূর্ণ বিশেষজ্ঞ পদ শূন্য। এসব গুরুত্বপূর্ন পদ শুন্য থাকায় রোগীরা পাচ্ছে না প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। অনেক রোগীকে আবার বাধ্য হয়ে ফিরে গিয়ে জেলার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। জেলার সর্বমোট ২০৬টি ডাক্তারের পদের মধ্যে ৮৩টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন জেলার ১৮ লাখ মানুষ।
এদিকে জেলার মানুষকে উন্নত সেবা পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে ২৫০ শয্যার আধুনিক একটি জেনারেল হাসপাতাল স্থাপিত হলেও সেটি এখনো চালু হয়নি। সেটি কবে নাগাদ চালু হবে তার নির্ধারিত সময় নির্ধারন হয়নি। যে কারনে উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকেও বঞ্চিত ভোলার মানুষ।
তবে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি চালু হলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন জেলা সিভিল সার্জন। তিনি বলেন, জেনারেল হাসপালটি চালুর অনুমোদনের অপক্ষোয় রয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসক সংকটের কারনে দীর্ঘদিন থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এখানকার মানুষকে ঢাকা, বরিশাল গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয় যারফলে একদিকে যেমন বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে অন্যদিকে সীমাহিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জেলার মানুষকে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সুত্র জানিয়েছে, ভোলা সদর হাসপাতালটি ১০০ শয্যার হলেও এখানে দীর্ঘদিন ধরে ৫০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছ। এখানে ডাক্তারের ২২টি পদের মধ্যে কর্মরত রয়েছে মাত্র ১১ জন। অন্যদিকে সদরের টিবি ক্লিনিকে নেই কোন চিকিৎসক। এখানে ২টি পদ থাকলেও সেখানে কোন ডাক্তার নেই।
৫০ শয্যার বোরাহনউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। যেখানে ডাক্তারের ২১টি পদ থাকলেও চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ৯জন। এখানে চিকিৎসকের ১২টি পদ শূন্য।
দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১টি পদের মধ্যে চিকিৎসক রয়েছে মাত্র ৭জন। এখানের শুন্য রয়েছে ১৪টি পদ। খায়েরহাট হাসপাতালেও চিকিৎসা সংকট। এখানে চিকিৎসকের ৯টি পদের মধ্যে চিকিৎসক আছেন মাত্র ৬ জন।
৫০ শয্যার লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ২১টি পদের মধ্যে ১১টি পদই শুন্য। এছাড়াও চরফ্যাশন ৫০ শয্যার হাসপাতালে ২১ পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ১২ জন। এখানে চিকিৎসকের ৯টি পদ শূন্য। এছাড়াও তজুমদ্দিনে ৪, মনপুরায় ৫ ও দক্ষিন আইচা হাসপাতালের একটি পদ শুন্য রয়েছে।
জনবল সংকটে ধুকছে জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্লিনিকগুলোও। জেলার সাত উপজেলার ৬২টি ক্লিনিকের মধ্যে ৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে ভেঙ্গে পড়েছে জেলার চিকিৎসা সেবা ।
ভোলা সদর হাসপাতালে ৩ বছরের অধিক সময় ধরে কার্ডিওলজিস্ট, চক্ষু বিশেষজ্ঞ নেই। এছাড়াও জেলার অন্যান্য হাসপাতালে সার্জারি, গাইনি, কার্ডিওলজিস্ট ও চক্ষু চিকিৎসব না থাকায় চিকিৎসা সেবা অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছে।
জনবল সংকটের পাশাপাশি সমস্যা রয়েছে প্রয়োজনীয় উপকরণেও। বেশীরভাগ হাসপাতালে ইসিজি ও এক্স-রে মেশিন নষ্ট। হচ্ছে না বড় ধরনের কোন অপারেশন। ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের। টিবি ক্লিনিকে চিকিৎসব না থাকায় যক্ষা রোগীরাও ঠিকমত চিকিৎসা পাচ্ছেন না। ওই সব রোগীদের যেন ভোগান্তির শেষ নেই।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সুত্রে আরো জানা গেছে, সম্প্রতি ৩৯ তম বিসিএসের মাধ্যমে ভোলা জেলায় ৬৯জন চিকিৎসক পদায়ন দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও চিকিৎসক সংকট কমছে না। চিকিৎসক সংকট লেগেই রয়েছে।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তৈয়বুর রহমান বলেন, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতি মাসেই চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়ে থাকে কিন্তু এখন পর্যন্ত জনবল দেয়া হয়নি। তবুও আমরা সাধ্যমত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। কিছু হাসপাতালে ইউনিয়ন ক্লিনিক থেকে চিকিৎসকদের দিয়ে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালটি চালুর অপক্ষোয় রয়েছে, সেটি চালু হলে স্বাস্থ্য সেবার এমন সমস্যা থাকবে না।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a