1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
শান্তিচুক্তির ২৪বছর পূর্তি উপলক্ষে কাপ্তাই জোনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে জেলা ছাত্রলীগের কলম ও মাক্স বিতরণ আখাউড়ায় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে বার্ণাঢ্য র‍্যালী আখাউড়া সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের জয়েন্ট রিট্রিট সিরিমনি অনুষ্ঠিত কাপ্তাই সেনাজোন শান্তিচুক্তির দু’যুগ পূর্তি উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ ও ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কাউখালীতে গণশুনানী ও মানবন্ধন চন্দ্রঘোনা থানা পলিথিন মোড়ানো চোলাই মদ ও অটোরিকশা সহ পাচারকারীকে আটক

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঝিনাইদহের আম চাষিদের স্বপ্ন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২০
মনিরুজ্জামান মনির ,শৈলকুপা, ঝিনাইদহ থেকে –
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৬ নং গান্না ইউনিয়নের কাশিম নগর গ্রামের প্রায় শত ভাগই আম চাষি।
ঐ গ্রামে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার বিঘা জমিতে আম চাষ করে দেশের ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল,চট্রগ্রাম,মাদারিপুর,খুলনা,যশোরসহ বিভিন্ন জেলাতে আম রপ্তানি করে চাষিরা প্রতি বছর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা আয় করেন।
এবারও দেশের মাটিতে আম রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন জেলার সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের কাশিম নগর গ্রামের চাষিরা । কিন্তু বুধবার রাতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে চাষিদের ৩ হাজার বিঘা জমিতে করা  বিভিন্ন জাতের আমের বাগান। গাছে আর কোনো আম নেই। সব ঝরে গেছে। পুরো গ্রামের চিত্র একই। সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় ঝরে পড়া আম গাছের নিচে মাটিতেই পড়ে আছে। চাষিরা বলছেন এই আম কেনার মত কেউ নেই। গাছের নিচে থেকে আম পরিস্কার করতেও এখন অনেক টাকা খরচ লাগবে।
আম্ফান সব কিছু তছনছ করে দেওয়ার পরের দিন বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাজারে ঝরে পড়া আম বিক্রি হয়েছে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা করে। কৃষকের চোখেমুখে অন্ধকার। ঋণ নিয়ে আমের ব্যবসার ওপর তাঁদের জীবন-জীবিকা নির্ভরশীল। পুরো কাশিম নগর বাগানের নিচে মণকে মণ বিভিন্ন জাতের আম পড়ে আছে। কেনার মানুষ নেই। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক বলছিলেন, কাশিম নগরে বাগানের পর বাগান গাছের নিচে আম পড়ে আছে। আর মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিন সময় পেলে আমগুলো পূর্ণতা পেত।
প্রায় তিন মাস ধরে করোনাভাইরাস কৃষকের জীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে, নতুন করে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান এসে কৃষকের পুরো কোমর ভেঙে দিয়েছে। আম্ফান যে ক্ষতি করে দিয়ে গেল, তা কাটিয়ে উঠতে কত দিন লাগবে, তা কেউ বলতে পারছে না। এদিকে সারা দেশে আমের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, মিডিয়াতে তার একটি ধারণা দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, সারা দেশে ১৫০ কোটি টাকার সমপরিমাণ আমের ক্ষতি হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রিপন হোসেন বলেন, আমার ওয়ার্ডের প্রায় শত ভাগ চাষি আম চাষের উপর নির্ভর করে জিবিকা নির্বাহ করে।বিভিন্ন ব্যাংক এবং এনজিও থেকে টাকা ঋণ নিয়ে তারা এই আম চাষ করে থাকে।ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে এবার আম চাষিদের যে ক্ষতি হয়েছে তাতে চাষিদের সোজা হয়ে দাঁড়াতে কয়েক বছর কেটে যেতে পারে ।তিনি আরও বলেন, কাশিম নগর গ্রামে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার বিঘা জমিতে চাষিরা আম চাষ করে থাকেন।তাতে প্রতি বছরে প্রাই ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা চাষিরা আয় করেন।তিনি চাষিদের পক্ষে সরকারের কাছে এই ক্ষতির ভর্তুকি দাবি করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মুফাখ্খারুল ইসলাম বলেন, আমরা উপ-কৃষি অফিসারদের মাধ্যমে প্রতি ইউনিয়নে ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে একটি তালিকা করে জেলা কৃষি অফিসে পাঠিয়েছি।জেলা অফিস থেকে তারা মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে এরপর ওখান থেকে যে নির্দেশনা আসে সে অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নিতে পারবো ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a