1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
পিরোজপুরের কাউখালীতে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে জাতীয় ভোটার দিবস পালন করোনা কালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা সত্বেও কাউখালীতে ইউএনওর নির্দেশ অমান্য করে বিদ্যালয়ে সমাবেশ আবেদ আহমেদ দুই বাংলার জনপ্রিয় স্যাটেলাইট চ্যানেল এক্সপ্রেস নিউজ টিভির গাজীপুর প্রতিনিধি মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কাপ্তাই ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রস্ততি সভা নড়াইলে জাতীয় ভোটার দিবস-২০২১ পালিত ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল । দিরাইয়ে বেকার যুব মহিলাদের হস্তশিল্প বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন কাউখালীতে “জাটকা নিধন প্রতিরোধ অভিযান” পরিচালনায় তৎপর বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বরিশালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১ পালিত কাপ্তাইয়ে বীমা দিবস পালন

এনায়েতপুরের জনপদ যমুনা নদীর তাণ্ডবে বেসামাল

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০
ইসমাইল হোসেন, এনায়েতপুর প্রতিনিধিঃ
জৈষ্ঠ্যের শেষের দিকে যমুনার পানি বেড়ে চারদিকে প্লাবিত হয়ে প্রতি বছর বর্ষার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যমুনার ভাঙনও অব্যাহত থাকে। আবার বর্ষাকালীন সময়ে মাঝে মাঝে ভয়াবহ আকার ধারণ করে বন্যার সৃষ্টি হয়। বর্ষা কখনো আশীর্বাদ আবার কখনো ভয়াবহ রুপ ধারণ করে ফসলী জমি, ভিটেমাটি, গবাদিপশু ভেসে নিয়ে যায়। বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মত মহামা’রির সঙ্গে যুদ্ধ করেই বসবাস করে যমুনা পাড়ের মানুষ। উদাহরণ স্বরূপ ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যার মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের চিত্র ভোলার নয়। যেখানে গবাদিপশু, হাসমুরগী ও খামারিরা চরম ক্ষতির শিকার হয়েছিল।
ঐতিহ্যগত ভাবে পূর্ব পুরুষেরা নদীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে বসবাস করে আসছেন কখনো নদী নিজস্ব জায়গায় তার আপন গতিতে বহমান থাকে আবার কখনো সর্পের মত ফুসে উঠে লোকালয়ে ছুটে আসে। একটু বিশ্লেষণ করে এর নেপথ্যেও অনেক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়। শুষ্ক মৌসুমে অসাধু বালু খেকোদের দৌরাত্ম্য কোনভাবেই থামানো যায় না। যাদের মুখে মানবতার বাণী, দেয়ালে বিলবোর্ডে নিজেদের প্রতিচ্ছবি আর উন্নয়নের চিত্র তারাই এসব নদী দখল, দূষণ করে প্রকৃতি ও পরিবেশের সাংঘাতিক বিপর্যয় ঘটিয়ে থাকে।
গত বছর যমুনার উজানে শতশত ট্রলারে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে যমুনার দিক পরিবর্তন করে দিয়েছে। এ বছর বর্ষার শুরুতেই একবারে এনায়েতপুরের হার্টপয়েন্টে আঘাত হেনেছে। এনায়েতপুরে নদী ভাঙ্গনে সময়সীমা তিন বছর অতিক্রম করে চার বছর পূর্ণ হল। শতশত ঘর-বাড়ী ভিটেমাটি যমুনার তাণ্ডবে বিলীন হয়ে গেছে। মসজিদ, মন্দির মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংযোগ সড়কসহ বহু স্থাপনা নদী গ্রাস করেছে।
স্থানীয়রা জনপদ রক্ষায় অনেক মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছেন । নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক সংগঠনগুলো তাদের সঙ্গে একাত্মতা স্বীকার করে দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন। সরকারের টনক নড়াতে বিশেষ ভুমিকা রেখেছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। অনেক ত্যাগ তিতিক্ষা ও প্রচেষ্টার পর জরুরী প্রকল্পের উদ্যোগ নিলেও জনপদ রক্ষায় তেমন ভুমিকা রাখতে পারেনি।
স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু না করলে এনায়েতপুরের মানচিত্র রক্ষা করা সম্ভব নয়। বেশকিছু দিন আগে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় সচিব জনাব কবির বিন আনোয়ার এনায়েতপুর পরিদর্শন করেন। শীঘ্রই এনায়েতপুর পাঁচিল স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করবেন বলে আশ্বস্ত করেন এবং জরুরী প্রকল্পের অংশ হিসেবে জিওব্যাগ ফেলানোর কাজ শুরু করেন। কিন্তু এনায়েতপুর পাঁচিল দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার জুড়ে যমুনার ভয়াবহ ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় কেবলমাত্র জিওব্যাগ দিয়ে ভাঙ্গন ঠেকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
স্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নে  সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকা সত্ত্বেও  বাস্তবে বারবার হোচট খেয়েছেন। এবার এনায়েতপুর পাঁচিল প্রকল্প বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ। যেখানে করোনা ভাইরাসের মহামা’রিতে পুরো  পৃথিবী নাড়াচাড়া দিয়ে বসেছে।
প্রতিনিয়তই করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে মানুষ হিমশিম খাচ্ছেন সরকারের নির্বাহী দপ্তর বিভাগ। আম্ফানের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পাহাড়ী ঢল আর নদী ভাঙনের শিকার উপদ্রুত এলাকার মানুষ কে আরও বিবর্ণ করে তুলেছেন।
তারই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে আরকান্দি, ঘাটাবাড়ী, পাকুরতলা, জালালপুরে নতুন করে ব্যাপক যমুনার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। আরও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ শতশত পরিবার হুমকির মুখে । অনেক ঘরবাড়ি ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যমুনার তাণ্ডবে বেসামাল এনায়েতপুরের জনপদ।
গতকাল বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন শাহ্জাদপুর উপজেলা ও এনায়েতপুর থানা শাখার সভাপতি ফারুক রেজা ও শেখ শামীম ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার সঙ্গে কথা বলেন এবং সরকারের কাছে  স্থায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY LatestNews