1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০২:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
নতুন বাজার খেলার মাঠের বেহাল দশা: সংস্কার ও দখল মুক্ত চায় ক্রীড়া প্রেমীরা ঝিনাইদহের হরিণান্ডুতে ৭ দিনের লকডাউন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজেন কাউখালীতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং কাপ্তাই সুইডিশ মসজিদে হেলপিং হেন্ডস ফর কাপ্তাইয়ের পক্ষ হতে ২০টি ফ্যান প্রদান ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তে খুলনা বিভাগে শীর্ষে যশোর চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান হাসপাতালে “ডু নো হার্ম” বিষয়ক ৪ দিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ৩৫ টি পরিবার পাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার- সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নিকান্ডে ১০টি বসত ঘর পুড়ে ছাই শফিপুর সড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহতঃ আহত ২ মেহেরপুরে করোনায় দুজনের মৃত্যু

কাঁচামাল সংকটে কেপিএম উৎপাদন বন্ধ: মানবতার জীবন যাপন করছে অস্থায়ী শ্রমিকরা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২০

কাপ্তাই প্রতিনিধি :

কাঁচামাল এবং সরকারি অর্ডার না থাকায় গত ২৪ মে হতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে আছে একসময়ের দক্ষিন এশিয়ার অন্যতম কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রাংগামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা কর্নফুলি পেপার মিলস লিমিটেড। ফলে এখানকার কর্মরত কোম্পানি মাষ্টার রোল, অস্থায়ী শ্রমিক কর্মচারী এবং পে-অফ কর্মকর্তাদের গত ২৪ মে থেকে উৎপাদন শুরু না হওয়া পর্যন্ত কাজে যোগদান না করতে কেপিএম কর্তৃপক্ষ আদেশ করেছেন।

গত ২৩ মে মহাব্যবস্থাপক এর পক্ষে কেপিএম এর ব্যবস্থাপক( প্রশাসন) মো: মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশের মাধ্যমে তাদের কাজে যোগদান হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় বলে অস্থায়ী শ্রমিকরা জানান। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে এই সমস্ত অস্থায়ী শ্রমিকরা কেপিএম এ কাজ করতো বলে বর্তমানে তারা মানবতার জীবন যাপন করছে বলে তারা জানান।

এদিকে কেপিএম আবাসিক এলাকায় বসবাসরত স্থায়ী শ্রমিক কর্মচারীরা অভিযোগ করে জানান, মিল উৎপাদন বন্ধ বা চালু রাখা সেটা সম্পূর্ণ কর্তৃপক্ষের বিষয়, কিন্ত আবাসিক এলাকায় তারা বিদ্যুৎ এবং তীব্র পানীয়জলের সংকটে ভুগছেন। তারা জানান, রাতে কয়েকঘন্টা এবং সকালে কয়েকঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে। এই ছাড়া দিনে একবার যে পানি সরবরাহ করা হয়, সেটা নদীর ঘোলা পানি, যা বিশুদ্ধ না করে সাপ্লাই করা হচ্ছে। ফলে এই করোনা ভাইরাস সংকটে এই পানি ব্যবহার তাদের জন্য নিরাপদ নয়।

এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কেপিএম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন( সিবিএ) এর সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু এই প্রতিনিধিকে জানান, কাঁচামাল সংকট এবং বিক্রয় সংকটের ফলে কেপিএম এর উৎপাদন বন্ধ আছে। তারা জানান, কেপিএম আবাসিক এলাকায় এখন তীব্র পানীয় জল এবং বিদ্যুৎ এর সংকট চলছে।

এই বিষয়ে কেপিএম এর ব্যবস্থাপক( উৎপাদন) গোলাম সরোয়ার জানান, বর্তমানে কিছু কাঁচামাল সংকট আছে, তাছাড়া কেপিএম হতে কাগজ সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল কারিকুলাম ফর টেক্সট বোর্ড( এনসিটিবি) কাগজ না কেনায় গত ২৪ মে হতে কেপিএমে উৎপাদন হচ্ছে না। তিনি জানান কেপিএম হতে এনসিটিবি ১০০০ মেট্রিকটন কাগজ কেনার কথা ছিল। এই প্রতিষ্ঠানটি কাগজ কিনলে এই সংকট থাকবে না বলে তিনি জানান।
কেপিএম ম্যানেজমেন্ট সুত্রে জানা যায়, এই মিলটি বর্তমানে আমদানিকৃত পাল্প রিসাইকেল পেপার হতে কাগজ উৎপাদন করে আসছে। চলতি অর্থবছরের ৯ মে পর্যন্ত বিসিআইসির এই প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৮৫ মেট্রিকটন পর্যন্ত কাগজ উৎপাদন করেছে। তবে সরকারি কাগজ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এনসিটিবি যদি কেপিএম হতে কাগজ কিনে তাহলে এই সংকট আর থাকবে না বলে তারা জানান।

বিসিআইসির এই প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৩০ হাজার মেট্রিকটন হলেও বর্তমানে বার্ষিক ৫ থেকে ৬ হাজার মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদনের ফলে এটি একটি লোকসানে প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে বলে শ্রমিকরা জানান। মিলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত কয়েকজন শ্রমিক কর্মকর্তারা জানান, যদি দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদন হয় তাহলে এই মিলটির আর লোকসান গুনতে হবে না। তারা আরোও জানান, বর্তমানে যে যন্ত্রপাতি আছে তা দিয়ে দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ মেট্রিকটন কাগজ উৎপাদন করা যেতো। তবে অনেক ক্ষেত্রে নিন্মমানের কাগজ উৎপাদনের ফলে এনসিটিবি সহ সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান এই মিলটি হতে কাগজ কিনতে আগ্রহ হচ্ছে না বলে তারা জানান।

এই বিষয়ে সিবিএ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা বিষয় গুলোর সত্যতা স্বীকার করেন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a