1. [email protected] : 100010010 :
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. [email protected] : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. [email protected] : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. [email protected] : sadmin :
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
আখাউড়া উপজেলার ভিতরে প্রায় ১০০ টি মন্ডপে বিশ্বকর্মা পূজা হরিনাকুন্ডু শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের দোয়া, স্মরণসভা ও আর্থিক অনুদান প্রদান আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে আসন সঙ্কট, তবুও যাত্রীদের ভ্রমণ থেমে নেই আখাউড়ায় গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য সেবা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কাউখালীতে বিদ্যালয়ের সরকারি বই বিক্রয় কালে এলাকাবাসি হাতেনাতে ধরে ফেলে হরিনাকুন্ডুতে বালি উত্তালনের সরঞ্জাম জব্দ করেছেন হরিনাকুন্ডু ভ্রাম্যমাণ আদালত স্কুল শ্রেণিকক্ষে প্রধান শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ৪দফা দাবি বাস্তবায়নে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন পল্লবী থানায় ১০লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগ দিতে এসে নিজেই ধরা খেলেন প্রতারক হরিনাকুন্ডু ক্যানাল ব্রিজের বেহাল দশা ভুগান্তিতে এলাকা বাসি

ঝিনাইদহে অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহ’র লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হচ্ছে না

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০
মনিরুজ্জামান মনির,(শৈলকুপা) ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহে অভ্যন্তরীন বেরো ধান সংগ্রহ’র লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হচ্ছে না। সরকারি মুল্য থেকে বর্তমান বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় এবারের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংকা করছে সংশ্লিষ্টরা।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শেখ আনোয়ারুল কবির জানান, এ বছর জেলার ৬ উপজেলা থেকে ১৪ হাজার ১৪২ টন ধান সংগ্রহ’র লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ১’শ ২১ টন ধান সংগ্রহ হয়েছে। কার্ডধারী, এ্যাপসের মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষক এবার ধান দিচ্ছে না। যার মুল কারণ হিসেবে বাজারে ধানের দাম বেশি হওয়ায় কৃষক খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করছে না।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, একমাস আগে বোরো ধান ঘরে তুলেছেন কৃষক। ভরা মৌসুমেও প্রকারভেদে ধানের দাম ১ হাজার থেকে ১২’শ টাকা বিক্রি হয়েছে। বর্তমান বিভিন্ন হাটবাজারে একই দামে ধান বিক্রি হচ্ছে। এবার সরকারি সংগ্রহ মূল্য ধার্য করা করা হয়েছে প্রতি কেজি ২৬ টাকা। অর্থাৎ প্রতি মন এক হাজার ৪০ টাকা। যে কারণে কৃষক ধান দিতে অনীহা প্রকাশ করছে।
সদর উপজেলার হাটগোপালপুরের কৃষক নাজির উদ্দিন বলেন, সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করলে পাব ১ হাজার ৪০ টাকা। সেখানে গেলেও ধান ভিজা আছে, চিটা আছে সহ নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। এখন বাজারে ধানের দাম বেশি বলে ধান বিক্রি করে দিয়েছি।
শৈলকুপার খন্দকবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক নবিদুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য বছর ধানের দাম কম হওয়ার কারণে আমরা ধান বিক্রি করতে গেলে দালাল চক্র আমাদের ধান বিক্রি করতে দিত না। তাই এবার ধানের দাম বেশি হওয়ার কারণে আমরা ধান দিচ্ছি না।
জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহ’র লক্ষ্যমাত্রা পুরণ হচ্ছে না এটা ঠিক তবে। ধান সংগ্রহ’র অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যে কৃষকের ধানের ন্যায্য মুল নিশ্চিত করা। কৃষক ধানের দাম ভালো পেয়েছে এটাই ভালো।
এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, চলতি বছর এ জেলায় ৭৭ হাজার ৫৩৫ হেক্টরে বোরো চাষ হয়েছে। আর ধান উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ টন। ঘুর্ণি ঝড় আম্পানে বেশ কিছু ধানের ক্ষতি হয়েছে। তবে বেশি না। এবার কৃষক ধানের দাম ভালো পেয়েছে। এতে ঘুর্ণি ঝড় আম্পানের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে। আর দাম ভালো পাওয়ায় আগামীতে ধান চাষে তারা আগ্রহী হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a