1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের সহ ধর্মিনী ও তার ছেলের রোগ মুক্তির কামনায় দোয়া মাহফিল কাউখালীর দুইশত পরিবার পানি বন্দী দশা থেকে মুক্তি চায় ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে বন্ধ রয়েছে জিকে সেচ প্রকল্প কাপ্তাই স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সিনোফার্মার টিকা নিতে দীর্ঘ লাইন মাদারীপুরে গাড়ির মালিকদের আয়কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন হরিনাকুন্ডুতে অসহায় মানুষের পাশে এমপি তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি মোরেলগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা কাপ্তাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১জনের মৃত্যু কাপ্তাই থানা কর্তৃক ইয়াবা ও চোলাই মদসহ আটক-২ ঝিনাইদহে নামাজে ইকামত দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

তিন মাস ধরে বন্ধ সব ধরনের অপারেশন, জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালের বেহাল দশা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের এখন বেহাল দশা। গত তিন মাস ধরে বন্ধ ওপেন হার্ট সার্জারি, বন্ধ রয়েছে হার্টে রিং পরানো, পেসমেকার বসানো, এনজিওগ্রাম ও ইটিটি করা, স্থবির হয়ে পড়েছে উন্নয়ন কার্যক্রম। হাসপাতালের সিনিয়র অধ্যাপক ও ইউনিট প্রধানরা নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন না, এমনকি শীর্ষ পর্যায়ের চিকিৎসক নেতারা একেবারেই আসছেন না হাসপাতালে। এই হাসপাতালটি করোনা চিকিৎসার জন্য না হলেও ইতিমধ্যেই দেড় শতাধিক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে দেশের হৃদরোগের সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালটির এখন বেহাল স্থবির হয়ে পড়েছে। রোগীরাও আগের মতো কাঙ্খিত সেবা ও চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির শুরু অর্থাৎ গত মার্চ মাস থেকেই জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চলছে চরম অব্যবস্থাপনা। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসা সাধারণ রোগীরা এখন আর এখান থেকে তেমন কোন চিকিৎসা পাচ্ছেন না। প্রতিদিন শত শত রোগী নানা ধরনের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। হাসপাতালটিতে আগে যেখানে প্রতিদিন ৪/৫ টি ওপেন হার্ট সার্জারি, ১৫/২০টি এনজিওগ্রাম এবং ৩০-৪০টি স্ট্যান্টিং (হার্টে রিং পরানো) হতো, সেখানে এখন সবই বন্ধ রয়েছে। সার্জারির কোন সেবাই পাচ্ছে না এখন রোগীরা। হাসপাতালের সিনিয়র অধ্যাপক ও ইউনিট প্রধানরা প্রায় তিন মাস ধরেই হাসপাতালে আসছেন না। আসছেন না হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক নেতারাও। বেশিরভাগ ডাক্তার ও ইউনিট প্রধানরা হাসপাতালে না এসেই ইতিমধ্যেই দেড় শতাধিক ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে জুনিয়র ডাক্তাররা কোন রকমে চালু রেখেছে হাসপাতালের কার্যক্রম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার এই প্রতিবেদককে জানান, মূলত হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়েছে। এখানে এডমিনিস্ট্রেশন বলতে কিছু নেই। কেউ কারো কথা শোনে না। ফলে সিনিয়র ডাক্তারদের কেউ-ই হাসপাতালে আসছেন না। ইউনিট প্রধানরা মাসের পর মাস অনুপস্থিত থাকাও ওইসব ইউনিটের কাজকর্ম অচল হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে হাসপাতালের স্টেচার ইনচার্জ ও ফার্মাসিস্ট পরস্পর যোগসাজস করে হাসপাতালের দেড় লক্ষাধিক টাকার ওষুধ চুরি করে সরকারের গোয়েন্দাদের হাতে আটক হয়েছে। তারা বলেন, জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালটিকে আরও উন্নত ও অত্যাধুনিক করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহযোগিতায় যে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল সেগুলোও মুখ থুবড়ে পড়েছে। এক কথায় হৃদরোগ চিকিৎসায় দেশের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালটি এখন সব দিক থেকে একটি ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে হাসপাতালটিতে ঘুরে দেখা গেছে, ৪ মাস আগেও যেখানে হাসপাতালটিতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার রোগী ভর্তি থাকতো, প্রতিটি ওয়ার্ড, বারান্দা, করিডোরে থাকতো রোগীর অতিরিক্ত বিছানা, সেখানে এখন অনেক ওয়ার্ডই খালি পড়ে আছে। অপারেশন থিয়েটার ও ক্যাথ র‌্যাব এলাকা ফাঁকা।
হাসপাতালের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কর্তব্যরত কোন জুনিয়র ডাক্তারই কথা বলতে রাজি হলেন না। কর্মচারিদের কেউ কেউ দুচার কথা বললেও, তারা অজানা ভয়ে শঙ্কিত থাকেন। সত্য কথা বললে নাকি চাকরি চলে যেতে পারে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকদিন হাসপাতালে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার মোবাইলে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট থেকে ওষুধ পাচারের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন প্রতিষ্ঠানের একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন স্টোর ইনচার্জ। ওই ফার্মাসিস্টের নাম নির্মল সরকার। আর স্টোর ইনচার্জের নাম হল বশির উদ্দিন। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলানগর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম বলেন, ফার্মাসিস্ট নির্মল ও স্টোর ইনচার্জ বশির হাসপাতাল থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের ২০০ ধরনের ওষুধ মাত্র ৫০ হাজার টাকায় পাচার করছিল। এ সময় গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইর সদস্যরা তাদের হাতেনাতে আটক করেন। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে আসে।

শেরেবাংলা নগর থানার এসআই তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এনএসআইয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এ বিষযয়ে একটি মামলাও হয়েছে। এনএসআই জানিয়েছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ওষুধ পাচার করে বাইরে বিক্রি করছিল বলে অভিযোগ ছিল। এ অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a