1. te@ea.st : 100010010 :
  2. rajubdnews@gmail.com : admin :
  3. ahamedraju44@gmail.com : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. nrbijoy03@gmail.com : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. shiningpiu@gmail.com : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. admin85@gmail.com : sadmin :
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০২:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :

কাউখালীতে দুই গ্রুপের টানাটানিতে ৪০ বছরেও নির্মান হয়নি ইউনিয়ন পরিষদের ভবন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
news 52 bangla 24.com

মোঃ ছাইদুর রহমান ,কাউখালী প্রতিনিধি।

পিরোজপুরের  কাউখালী উপজেলার ১নং সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন না থাকায় কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ওই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। স্থান নির্ধারণ নিয়ে দুই গ্রুপের রশি টানাটানির কারণে ৪০ বছরেও হয়নি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এলিজা সাঈদ জানান, আমার আগে তার স্বামী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইয়েদ দু’বারে আট বছর ধরে এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি যখন যেখানে যেতেন সেখানেই পরিষদের কাজ সম্পন্ন করতেন। ইউনিয়নের স্থায়ী কোনো কার্যালয় নেই। ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়েছিল রঘুনাথপুর গ্রামের একটি ভবনে। তা আজ পরিত্যক্ত। যার ফলে গ্রাম্য আদালত, ডিজিটাল সেন্টারের কার্যক্রম চলছে না। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটাতে ১৮টি দফতরের যেসব সেবা ইউনিয়ন পরিষদে পাওয়ার কথা, ভবন না থাকার কারণে সেসব সেবা সাধারণ মানুষ সঠিকভাবে পাচ্ছেন না। নদীভাঙনে ইউনিয়নের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ভূমিহীন হয়েছেন।

চেয়ারম্যান বলেন, ধাবরী গ্রামের আবদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে সুলতান সরদার ৭২ শতাংশ জমি ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসের নামে প্রদান করেছেন। এখন সেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হবে। উপজেলার বদ্বীপ খ্যাত এ ইউনিয়নের পূর্বদিকে সন্ধ্যা আর পশ্চিমে কালীগঙ্গা নদী। মাঝখানে ১৫ বর্গকিলোমিটারের বদ্বীপখ্যাত জনপদ সয়না রঘুনাথপুর। স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন না থাকায় প্রায় ৪০ বছর ধরে দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না এ ইউনিয়নবাসীর। নির্বাচিত পরিষদ, দাফতরিক কর্মচারী, ডিজিটাল সেন্টারের সরঞ্জাম- সবই আছে। শুধু নেই এসব মালামাল রাখার স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন।

ইউনিয়নের বাসিন্দা ডাক্তার মাহবুবুর রহমান বলেন, নাগরিক সনদপত্র বা জন্মনিবন্ধন পেতে হেঁটে ছুটতে হয় ইউনিয়নের বেতকা বা সোনাকুর থেকে মেঘপাল গ্রাম পর্যন্ত। তাতে ১০-১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। ০৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নাছির উদ্দিন বলেন, সব কিছু যখন অনলাইন ডিজিটালে চলছে ঠিক সেই সময় আমাদের একটি ইউনিয়ন পরিষদ ভবন পর্যন্ত নেই। স্বাধীনতার পর থেকে রঘুনাথপুর হাইস্কুলের দক্ষিণ পার্শ্বে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। ওই ভবনটি অনেক পুরনো জরাজীর্ণ হওয়ায় ১৯৮০ সালে অস্থায়ী ভিত্তিতে ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রান্ত মেগপাল বাজারে কৃষি অধিদফতরের একটি সিড স্টোর ভবনে শুরু হয়। যা বর্তমানে সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক নির্ভেজাল ৫২ শতাংশ জমি ইউনিয়ন পরিষদের নামে থাকলেই ভবন নির্মাণের বরাদ্দ পাওয়া সম্ভব। ইউনিয়নের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের দাবি অনুযায়ী পূর্বের জায়গা নুরুল হক প্রদান করেন। অন্যদিকে সুলতান সরদার মেগপালে যে জায়গা দিয়েছেন সেটা নির্ভেজাল না বলে দাবি করেন অন্য পক্ষ। যার তদন্তভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দফতরে চলমান।

ইউপি সচিব মো. শাহীন কাজী বলেন, স্থায়ী ভবন না থাকায় কৃষি বিভাগের পরিত্যক্ত ভবনে ধাবড়ী বাজারে অস্থায়ীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বীজ গুদামে ডিজিটাল সেন্টারের কম্পিউটার-ল্যাপটপ রাখতে হচ্ছে। স্যাঁত স্যাঁতে পরিবেশে ওইসব সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে। ধাবড়ি এলাকায় পরিষদের জমি রয়েছে। সেখানে গ্রাম আদালতের পরিচালনার জন্য পরিষদের অর্থায়নে একটি কার্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. খালেদা খাতুন রেখা জানান, স্থান নির্ধারণ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে, যা সমাধান হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ভবন নির্মাণের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY LatestNews