1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : News 52 Bangla : Nurul Huda News 52 Bangla
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

কাপ্তাইয়ে সরকারের নিয়মনীতি না মেনে প্যাথলজি ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কাপ্তাই প্রতিনিধিঃ-

নিজেই টেকনিশিয়ান,ডাক্তার ও ফার্মেসী ব্যবসায়ী
কাপ্তাই সরকারের নিয়মনীতি না মেনে প্যাথলজি ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য।

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারের নিয়ম,নীতি না মেনে প্যাথলজিক্যাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য চলছে। পাশা,পাশি,যে টেকনিশিয়ান সে আবার ডাক্তার হয়ে ফি নিয়ে রোগী দেখছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায় এক শ্রেণীর কিছু অসাধু ব্যবসায়ী স্বাস্থ্য মন্ত্রাণালয়ের দেয়া লাইসেন্স,রেজিনং,প্রতিষ্ঠানের নাম,ট্রেড লাইসেন্স,ভ্যাট,পরিবেশ ছাড়পত্র, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, পরীক্ষা নিরীক্ষার বিবরণী পরীক্ষার সাথে সংশিষ্ট বিশেষজ্ঞসহ বিবিধ নিয়মনীতি না মেনে অবৈধ ভাবে বছরের পর বছর যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
এদিকে ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের কিছু অসাধু টেকনিশিয়ান পার্বত্য এলাকার নিরহ  লোকদের ঠকিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা বাবদ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কোন,কোন প্যাথলজিক মালিক এস,এসসি বা এইচ এসসি পাশ না করে নিজেই ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ টেকনিশিয়ান হয়ে ফি নিয়ে রোগী দেখছেন। স্বাস্থমন্ত্রাণালয়ের দেয়া অনুযায়ী ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের এ,বি,সি ক্যাটাগরি থাকতে হবে। এর মধ্যে সি ক্যাটাগরিতে প্যাথলজি,বায়োকেমিস্টি,হেমাটোলজি পরীক্ষার ,এক্স-রে ও আলটাসনোগ্রাগ সহ বিবিধ নিয়ম মেনে পরিচালনা করার নিয়মনীতি থাকার নিয়ম থাকলেও তা কোনটাই মানা হচ্ছেনা বলে অনুসন্ধান ও বিভিন্ন মহল হতে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া লাইসেন্স মেয়াদ শেষ এবং অনলাইনে আবেদন করেছে বলে কোন,কোন সময় তা বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিজেই ডাক্তার,টেকনিশিয়া ও ফার্মেসী ব্যবসা করে সাধারণ লোকদের দিনের পর দিন প্রতারিত করে চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

কোন,কোন প্যাথলজিক্যাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের লাইসেন্স ব্যতিত বছরের পর বছর প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।

কাপ্তাই উপজেলায় সম্প্রতি প্রশাসনের কর্তৃক এসকল কিছু অবৈধ প্যাথলজি ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করে দোকান সিলগালা,জরিমানা আদায় এবং নিজেকে আর কখনও ডাক্তার বলে প্রেসক্রিপশন করবেনা বলে মুচলেখা নেয়া হয়।

এত কিছুর পরও আবারও প্রশাসরেন চোখে ফাঁকি দিয়ে অবৈধ বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছে। এদিকে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা কে এ বাপারে একাধিক বার ফোন করেরও তাকে পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a