1. [email protected] : 100010010 :
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : Helal Uddin : Helal Uddin
  4. [email protected] : Nadikur Rahman : Nadikur Rahman
  5. [email protected] : Priyanka Islam : Priyanka Islam
  6. [email protected] : sadmin :
বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
প্রধানমন্ত্রীর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে মাদারীপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আখাউড়ায় ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর বিতরণ হবিগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু যশোরের শার্শায় ১দিন বয়সের চুরি যাওয়া নবজাতক ঝিকরগাছা থেকে উদ্ধার কাপ্তাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গণটিকা নিলেন প্রায় ৪ হাজার৯৮ জন যশোরের শার্শায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন পালিত ছাত্রলীগের নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে বাবুগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অবৈধপথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ বিজিবির হাতে ১১ জন আটক

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে বন্ধ রয়েছে জিকে সেচ প্রকল্প

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

মো: বনি, হরিণাকুন্ডু উপজেলা প্রতিনিধি, ঝিনাইদহ।

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু ঐতিহ্যবাহী ধান , পান আর গানে বিখ্যাত ।

কিন্তু এবার আমন মৌসুমে বন্ধ রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্প। জিকে সেচ প্রকল্প বন্ধ থাকায় ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুর কৃষি জমির পানি সরবরাহও রয়েছে বন্ধ। ফলে চলতি আমন মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন প্রায় এক লাখ কৃষক।
সেচ প্রকল্প বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা ।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই প্রকল্পের পাম্প নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে পানি সরবরাহ।

জিকে সেচ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের আওতায় ঝিনাইদহ, মাগুরা , চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলায় এক লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ কার্যক্রম চলে। ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে হরিণাকুণ্ডু ও শৈলকূপা অঞ্চলে রয়েছে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি। এ দুই উপজেলায় প্রায় দুই লাখ কৃষক ধান চাষ করেন। হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় ১০ হাজার হেক্টরের উপরে কৃষিজমিতে চাষাবাদ করেন প্রায় এক লাখ কৃষক।

কর্তৃপক্ষের মতে, পদ্মার পানির ওপর এই সেচ প্রকল্পটি নির্ভর করে।

জানা গেছে, চলতি মাসের ২০ জুলাই পর্যন্ত পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে রয়েছে ২৪ হাজার কিউসেক পানি। যদিও এ দুই উপজেলায় ২০ হাজার কৃষি জমিতে সেচ দিতে প্রয়োজন মাত্র এক থেকে দুই হাজার কিউসেক পানি।

পদ্মায় পর্যাপ্ত পানি জমা থাকলেও শুধু পাম্প নষ্ট থাকার কারণে বন্ধ রয়েছে এই সেচ প্রকল্পের পানি সরবরাহ। এতে চলতি আমন মৌসুমে উপজেলার ১০ হাজার হেক্টর ধানের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।

হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা গ্রামের কৃষক আব্দুর রউফ জানান, প্রতি বছর জিকে প্রকল্পের পানি দিয়ে নামমাত্র খরচে এসব জমিতে সেচ দিয়ে ধানের আবাদ করেছেন। এবার কর্তৃপক্ষ তাদের পাম্প নষ্ট থাকার কথা বলে পানি দিচ্ছে না। পরে স্থানীয় শ্যালোচালিত পাম্প মালিকদের কাছ থেকে ১০ গুণ বেশি খরচ দিয়ে জমিতে সেচের পানি দিয়েছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাফিজ হাসান বলেন, হরিনাকুন্ডু উপজেলায় ১০ হাজারেরও বেশি জমিতে এবার আমন চাষ হচ্ছে। তবে সময়মতো জিকে প্রকল্পের পানি না পাওয়ায় কৃষকরা একটু সমস্যায় পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, আমি ইতোমধ্যে প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি, অল্প ক’য়েক দিনের মধ্যেই পানি সরবরাহ শুরু হবে।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালিব বলেন, পানি সরবরাহের জন্য এই প্রকল্পে আমাদের তিনটি পাম্পের মধ্যে দুটি নষ্ট। সচল একটি মাত্র পাম্প দিয়ে কুষ্টিয়া অঞ্চলে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে এই অঞ্চলের কৃষকেরা সেচ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। নষ্ট দুটি পাম্প সচলের জন্য চেষ্টা চলছে। জিকে সেচ প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, নষ্ট পাম্প দ্রুত মেরামতের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
2019 All rights reserved by |Dainik Donet Bangladesh| Design and Developed by- News 52 Bangla Team.
Theme Customized BY News52Bamg;a