1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 5, 2025 1:36 AM
সর্বশেষ সংবাদ:
অবশেষে! ডোমেনিকান প্রজাতন্ত্রে আসছে নতুন আকর্ষণীয় রিসোর্ট, যা মন জয় করবে! কেভিন ডি ব্রুইনার দলত্যাগ: সিটির ইতিহাসে বড় পরিবর্তন? চ্যাম্পিয়ন হতে ‘বদমেজাজি’ হতেই হবে? লান্ডো নরিসের জবাব! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভুল: বিতাড়িত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনতে আদালত! গাজায় ইসরায়েলের বোমা হামলা: আবারও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! আবহাওয়ার পরিবর্তনে কি আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে ঘূর্ণিঝড়?”, পাখিদের জগৎ: সেরা বাইনোকুলার ও স্পটিং স্কোপ কিনুন এমিনেম: মেয়ের সন্তানের নাম শুনে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না! ক্ষমতাকে প্রশ্ন করতে চান টাইম ম্যাগাজিনের ২৬ বছরের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর! আতঙ্কের পূর্বাভাস! আবহাওয়া অফিসের কর্মীর অভাবে বাড়ছে বিপদ?

কেভিন ডি ব্রুইনার দলত্যাগ: সিটির ইতিহাসে বড় পরিবর্তন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Saturday, April 5, 2025,

কেভিন ডি ব্রুইনার বিদায়: ম্যানচেস্টার সিটির সোনালী যুগে পরিবর্তনের আভাস

ফুটবল বিশ্বে, খেলোয়াড়দের দলবদলের খবর সবসময়ই আলোচনার জন্ম দেয়।

সম্প্রতি, ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনার সম্ভাব্য দলবদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সম্ভবত তিনি সৌদি প্রো লিগে নাম লেখাতে পারেন, অথবা ইউরোপের শীর্ষ কোনো ক্লাবে যোগ দিতে পারেন।

ডি ব্রুইনার এই সিদ্ধান্ত শুধু একজন খেলোয়াড়ের দলবদল নয়, বরং ম্যানচেস্টার সিটির বর্তমান সাফল্যের যুগে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

ডি ব্রুইনের খেলা সম্পর্কে যারা অবগত, তারা জানেন, মাঠের খেলায় তার বুদ্ধিমত্তা অসাধারণ। তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারদর্শী এবং প্রতিপক্ষের দুর্বলতাগুলো সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন।

তাঁর নিখুঁত পাস, দূরদৃষ্টি এবং খেলার ধরনের কারণে তিনি পরিচিত। ডি ব্রুইনের বয়স এখন তেত্রিশ।

খেলোয়াড় জীবনের এই পর্যায়ে এসে প্রায়ই ইনজুরিতে পড়ছেন তিনি। ক্লাব এবং দেশের হয়ে ইতিমধ্যে পঞ্চাশ হাজারের বেশি মিনিট খেলা হয়ে গেছে তাঁর।

ফলে, মাঠের খেলায় আগের মতো ততটা সক্রিয় থাকতে পারছেন না তিনি।

ডি ব্রুইনের খেলার ধরনের দিকে তাকালে, অনেকেই হয়তো তাকে প্রিমিয়ার লিগের সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচনা করবেন। তাঁর খেলার ধরন রয় কিনের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে।

রয় কিনের আগ্রাসী মনোভাব যেমন তাঁর খেলার একটা দিক ছিল, তেমনি ডি ব্রুইনের ক্ষেত্রেও তাঁর অসাধারণ দক্ষতা অনেক সময় কিছুটা আড়ালে চলে যায়।

তাঁর নির্ভুল পাস দেওয়ার ক্ষমতা, ক্রস এবং গোল করার মতো বিষয়গুলো ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুবই প্রিয়।

ডি ব্রুইনের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, তিনি তাঁর সতীর্থদের খেলাকে উন্নত করতে সহায়তা করেন। তাঁর কারণে খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং তাঁরা কঠিন পরিস্থিতিতেও ভালো খেলার সুযোগ পান।

তাঁর খেলার ধরন এতটাই আকর্ষণীয় যে, এর মাধ্যমে সতীর্থরা আরও ভালো পারফর্ম করতে অনুপ্রাণিত হন।

উদাহরণস্বরূপ, আর্লিং হালান্ড, যিনি ডি ব্রুইনের পাস সম্পর্কে এতটাই নিশ্চিত যে, তিনি পাস আসার আগেই পজিশন তৈরি করেন। সার্জিও আগুয়েরো বলেন, “আমার শুধু বলটা জালে পাঠাতে হয়।”

ফিল ফোডেনও একই কথা বলেন, “আমার শুধু ফাঁকা জায়গায় দৌড়াতে হয়, ডি ব্রুইনে ঠিকই বল পৌঁছে দেবে।”

তবে, ডি ব্রুইনের বিদায় নিশ্চিতভাবে পেপ গার্দিওলার অধীনে ম্যানচেস্টার সিটির সোনালী যুগের সমাপ্তি ডেকে আনবে। ফুটবল খেলার বাণিজ্যিক দিকটিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং ক্লাবের আর্থিক বিষয়গুলোও দলবদলের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।

ডি ব্রুইন মাঠের বাইরের জীবনে খুব একটা প্রচার ভালোবাসেন না। তিনি অন্তর্মুখী এবং পরিবারকে সময় দিতে পছন্দ করেন।

মাঠে তিনি যতটা আক্রমণাত্মক, মাঠের বাইরে ঠিক ততটাই শান্ত। তাঁর এই বৈশিষ্ট্যগুলো তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

ফুটবলে যেমন অর্থ এবং ক্ষমতার প্রভাব রয়েছে, তেমনি এর সৌন্দর্যও অনস্বীকার্য। ডি ব্রুইনের খেলার আকর্ষণীয় দিকগুলো দর্শকদের সবসময় মুগ্ধ করে।

সম্ভবত, ডি ব্রুইনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো, তিনি আমাদের স্মৃতিতে যেমন জায়গা করে নিয়েছেন, তেমনি আমাদের ভুলিয়েও দিয়েছেন।

তথ্য সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT