1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 4, 2025 6:34 AM
সর্বশেষ সংবাদ:
আবারও কি ফিরছে হাম? শিশুদের মাঝে বাড়ছে রোগ, বাড়ছে মৃত্যু! আলো ঝলমলে সৈকতে ঘোর অন্ধকার! বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে দ্বীপবাসীর জীবন ওষ্ঠাগত আতঙ্কের সৃষ্টি! মিল্টনকে দলে টানছে কাউবয়স, চমক! আলোচনা: জুজু ওয়াটকিন্স, এপি প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার! হারের বৃত্তে আটলান্টা: ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ব্রাভস! সিরিয়ায় ইসরায়েলের ভয়ঙ্কর হামলা: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে! গোপন সামরিক তথ্য ফাঁস! সিগন্যাল চ্যাটে পিটার হেজেথের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু যুদ্ধ জেতা জাপান! হ্যালো কিটির উত্থান ও বিশ্বজয়! আলোচিত: হেগসেথের সিগন্যাল বার্তা নিয়ে পেন্টাগনের তোলপাড়! নিউ অরলিন্সের কাছেই: আকর্ষণীয় শহর, দারুণ খাবার আর গোপন সৌন্দর্যের লীলাভূমি!

ট্রাম্পের শুল্ক: নিউ ইয়র্কের মানুষের চোখে জল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Wednesday, April 2, 2025,

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি নিয়ে নিউ ইয়র্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতির ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে নিউ ইয়র্কের সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্বিধা-বিভক্তি দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এর ফলে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলবে।

এই শুল্ক নীতির কারণ হিসেবে জানা যায়, ট্রাম্প চেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নতুনভাবে সাজাতে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। তবে অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, এর ফলস্বরূপ জিনিসপত্রের দাম বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে পারে।

ম্যানহাটনের একটি শপিং মলের বাইরে কথা হয় টম নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। তিনি জানান, ট্রাম্প নির্বাচনের সময় সবকিছু সস্তা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও, এখন শুল্কের কারণে তাদের সেই আশা পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

তিনি আরও মনে করেন, রিপাবলিকান ভোটাররাও খুব শীঘ্রই তাদের এই সিদ্ধান্তের ভুল বুঝতে পারবেন।

অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডস থেকে আসা এক দম্পতি জানান, তারা দুটি আইসক্রিমের জন্য ১৮ ডলার খরচ করেছেন। তাদের মতে, নিউ ইয়র্কের জীবনযাত্রার খরচ এমনিতেই অনেক বেশি।

এছাড়াও, ইন্ডিয়ানা থেকে আসা এক দম্পতি এই শুল্ক নীতি নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত। তাদের মধ্যে স্ত্রী জানান, তিনি এই বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারছেন না, তাই এর ফল দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন।

তবে তার স্বামী মনে করেন, শুরুতে দাম বাড়লেও, পরে তা কমে আসবে। তিনি জানান, তিনি স্টিল শিল্পে কাজ করেন এবং এই নীতির ফলে দীর্ঘমেয়াদে তাদের পরিবার উপকৃত হবে।

কিছু মানুষ মনে করেন, এই শুল্ক নীতি হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য ভালো, কিন্তু এর ফলে জিনিসপত্রের দাম বাড়লে তাদের জীবনযাত্রায় আরও বেশি চাপ পড়বে। তারা হয়তো এখনকার চেয়ে কম জিনিস কিনতে বাধ্য হবেন।

লন্ডনের বাসিন্দা স্টেস বেলগ্রেভ জানান, জীবনযাত্রার খরচ বাড়লে তিনি সচেতন থাকবেন, তবে জীবন তো চালিয়ে যেতেই হবে।

তবে অনেকে মনে করছেন, ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতি কেবল একটি কৌশল। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় সুবিধা আদায় করতে চাইছেন।

লং আইল্যান্ড থেকে আসা তিনজন এলিভেটর মেরামতের কর্মী জানান, তারা ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন। তাদের মতে, এর ফলে অন্য দেশগুলোও তাদের শুল্ক কমাতে বাধ্য হতে পারে।

মোটকথা, নিউ ইয়র্কের মানুষের মধ্যে এই শুল্ক নীতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ এর সম্ভাব্য খারাপ দিক নিয়ে চিন্তিত, আবার কেউ মনে করছেন, এটি হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে।

তবে সবার মনেই একটা প্রশ্ন—এই নীতির ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা প্রভাব পড়বে?

তথ্য সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT