1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 5, 2025 12:11 AM
সর্বশেষ সংবাদ:
মৃত্যু ও ভালোবাসার গল্প: সিনেমায় ফেরা ‘এ ম্যাটার অফ লাইফ অ্যান্ড ডেথ’! ঐতিহ্য আর ভবিষ্যতের মেলবন্ধন: কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের প্রত্যাবর্তন! ট্রাম্পের ‘হুমকি’র জবাব, চীন: বাণিজ্য যুদ্ধে বিশ্বজুড়ে মন্দার শঙ্কা! ভূমিকম্পে মিয়ানমারে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকা ইতিহাসের ধ্বংস! ভিসা নিয়ে দুশ্চিন্তা? এই দেশগুলোতে যেতে পারবেন ভিসা ছাড়াই! টিকটক: অবশেষে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রাম্প! ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর? ১০০ কোটি ডলার! হুতিদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে কী হচ্ছে? প্রিন্স অ্যান্ড্রু: চীনের প্রেসিডেন্টের জন্মদিনে চিঠি! যুদ্ধ চায় নাকি শান্তি? রাশিয়ার পরীক্ষা নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! শামুকের দিকে ঝুঁকছে মানুষ! মাংসের বিকল্পে নয়া দিগন্ত?

বিজয়ীর ডিএনএ রহস্য উন্মোচন! শীর্ষ বিজ্ঞানীরা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Thursday, April 3, 2025,

শিরোনাম: অমেরুদণ্ডী প্রাণীর ডিএনএ সিকোয়েন্সিং: ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন দিগন্ত।

পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যকে আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ২০২৩ সালের ‘ইনভারtebrate অফ দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী প্রাণীর ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা জিনগত গঠন বিশ্লেষণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এই গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রাণীটির বিবর্তন, বিশেষ ক্ষমতা এবং পরিবেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক সম্পর্কে জানতে পারবেন।

‘ইনভারtebrate অফ দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতাটি মূলত অমেরুদণ্ডী প্রাণীজগতের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এবং তাদের গুরুত্ব তুলে ধরতে আয়োজন করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র প্রাণী, যেমন – টার্ডিগ্রেড (Tardigrade), ডার্ক-এজড্ বি ফ্লাই (Dark-edged bee fly), এবং সাধারণ রটিফার (Common Rotifer) – এর মতো বিভিন্ন প্রাণী অংশ নেয়।

এদের মধ্যে বিজয়ী প্রাণীটির ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হবে।

এই প্রকল্পের প্রধান, মার্ক ব্লাক্সটার (Mark Blaxter) জানান, প্রতিটি প্রাণীর জিনগত গঠন (genome) এক প্রকার টাইম মেশিনের মতো।

এর মাধ্যমে আমরা তাদের বিবর্তনের ইতিহাস জানতে পারি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তারা কীভাবে প্রভাবিত হচ্ছে, সে সম্পর্কেও ধারণা পেতে পারি।

উদাহরণস্বরূপ, টার্ডিগ্রেড নামক ক্ষুদ্র প্রাণীটি প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার অসাধারণ ক্ষমতা দেখায়। এটি সম্পূর্ণ শুষ্ক হয়ে গেলেও এর কোষ এবং ডিএনএ সুরক্ষিত থাকে।

বিজ্ঞানীরা এই ক্ষমতা বিশ্লেষণ করে এমন প্রযুক্তি তৈরি করতে চান, যা ভ্যাকসিন এবং মহাকাশচারীদের জন্য উপকারী হবে।

এই গবেষণা শুধু কৌতূহল নিবারণ করবে না, বরং এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু আবিষ্কারও সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই ধরনের গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে এবং পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

বর্তমানে, বিজ্ঞানীরা যুক্তরাজ্যের প্রায় ৭০,০০০ প্রজাতির জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করছেন।

এই ডিএনএ সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রাণীগুলির জনসংখ্যা, তাদের জীবনযাত্রার পদ্ধতি এবং পরিবেশের ওপর তাদের প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এই গবেষণার গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা জানান, অমেরুদণ্ডী প্রাণীরা বাস্তুতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য এবং তারা আমাদের এই গ্রহে টিকে থাকার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিতে পারে।

‘ইনভারtebrate অফ দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ চলছে এবং আগামী ৭ই এপ্রিল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

তথ্য সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT