ইউক্রেন যুদ্ধ এবং রাশিয়ার আগ্রাসনের আশঙ্কায় ইউরোপের দেশগুলোতে বাধ্যতামূলক সামরিকService চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এর পরেই লাটভিয়ার প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।
২০২৩ সালের শুরুতেই লাটভিয়া তাদের দেশে বাধ্যতামূলক সামরিকService পুনরায় চালু করেছে। বাল্টিক অঞ্চলের এই দেশটি পূর্বে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায় ১৮০ মাইলের সীমান্ত ಹೊಂದಿದೆ। রাশিয়া থেকে সম্ভাব্য কোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে দেশটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট এডগার্স রিঙ্কেভিক্স বলেন, “বিশ্বের পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোরও একই পথে হাঁটা উচিত।”
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক ইউরোপীয় দেশ সামরিকService বাতিল করলেও রাশিয়াকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি স্ক্যান্ডিনেভিয়া এবং বাল্টিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশServiceটি পুনরায় চালু করেছে। সামরিকService এড়ানোর চেষ্টা করলে জরিমানা অথবা কারাদণ্ডের মতো শাস্তির বিধান রয়েছে।
লাটভিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও জানান, তার দেশে নারীদের জন্য সামরিকService চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। যদিও বর্তমানে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, মানুষজন বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন, তবে লাটভিয়া এবং অন্যান্য ইউরোপীয় সরকারগুলো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করে যাচ্ছে।
ইউরোপে চলমান এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, ইউরোপে বসবাসকারী অনেক বাংলাদেশির মাঝেও এই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্য সূত্র: সিএনএন