বহু প্রতীক্ষিত ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’ সিজন ৩-এর ষষ্ঠ পর্বে সম্পর্কের জটিলতা, ধনী জীবনের ফাঁপা দিক এবং আধ্যাত্মিকতার অনুসন্ধানের মতো বিষয়গুলো আবারও দর্শকদের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। থাইল্যান্ডের একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে কাটানো কয়েক দিনের গল্প নিয়ে এই সিরিজের নতুন পর্বগুলোতে বিভিন্ন চরিত্রের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাদের ভেতরের লুকানো সত্যগুলো উন্মোচিত হচ্ছে।
এবারের পর্বে প্রধান আকর্ষণ ছিলেন কেট, লরি এবং জ্যাকলিন নামের তিন বন্ধু। তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া সম্পর্কের টানাপোড়েন গল্পের মোড় ঘোরায়। একদিকে যেমন তারা বন্ধুত্বের দাবি করেন, তেমনই তাদের মধ্যে ঈর্ষা ও গোপনীয়তা সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে তোলে।
মাদক-নেশাগ্রস্ত একটি রাতের স্মৃতি নিয়ে সাশন এবং লকলান ভাইদের মধ্যে তৈরি হয় অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি। গল্পের এই অংশে নৈতিকতা এবং সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অন্যদিকে, পাইপার নামের এক তরুণী সন্ন্যাস আশ্রমে থাকতে চায়। তার এই ইচ্ছাকে কেন্দ্র করে মা ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে তার মানসিক দ্বন্দ্ব দেখা যায়, যা সমাজের ধনী শ্রেণির মানসিকতা এবং জীবন ধারণের ভিন্নতাকে তুলে ধরে।
ভিক্টোরিয়ার বক্তব্যে সমাজের প্রতিপত্তি এবং অর্থ-সম্পদের প্রতি মানুষের আকর্ষণ ফুটে ওঠে।
এছাড়াও, বেলিंडा নামের এক নারীর সঙ্গে গ্রেগরি নামের এক ব্যক্তির অপ্রত্যাশিত সাক্ষাত হয়। গ্রেগরির আচরণে রহস্যের গন্ধ পাওয়া যায়, যা গল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে কৌতূহল সৃষ্টি করে।
গল্পের এই অংশে অপ্রত্যাশিত ঘটনার ঘনঘটা দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখে।
এই পর্বে, থাই সন্ন্যাসী লুয়াং পর তেরার একটি উক্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, “তুমি কষ্ট থেকে পালাতে পারবে না।” এই কথাটি যেন পুরো সিরিজের মূল সুর।
যেখানে চরিত্ররা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের গভীর ক্ষতগুলো থেকে মুক্তি পেতে চাইছে।
‘দ্য হোয়াইট লোটাস’ একটি জনপ্রিয় সিরিজ, যা প্রতি রবিবার HBO-তে প্রচারিত হয় এবং Max-এ স্ট্রিমিং করা যায়। সিরিজটি ধনী পর্যটকদের জীবনযাত্রা এবং তাদের নৈতিক অবক্ষয়কে ব্যঙ্গ করে।
তথ্যসূত্র: CNN