1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 4, 2025 10:14 AM
সর্বশেষ সংবাদ:
আবারও কি ফিরছে হাম? শিশুদের মাঝে বাড়ছে রোগ, বাড়ছে মৃত্যু! আলো ঝলমলে সৈকতে ঘোর অন্ধকার! বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে দ্বীপবাসীর জীবন ওষ্ঠাগত আতঙ্কের সৃষ্টি! মিল্টনকে দলে টানছে কাউবয়স, চমক! আলোচনা: জুজু ওয়াটকিন্স, এপি প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার! হারের বৃত্তে আটলান্টা: ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ব্রাভস! সিরিয়ায় ইসরায়েলের ভয়ঙ্কর হামলা: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে! গোপন সামরিক তথ্য ফাঁস! সিগন্যাল চ্যাটে পিটার হেজেথের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু যুদ্ধ জেতা জাপান! হ্যালো কিটির উত্থান ও বিশ্বজয়! আলোচিত: হেগসেথের সিগন্যাল বার্তা নিয়ে পেন্টাগনের তোলপাড়! নিউ অরলিন্সের কাছেই: আকর্ষণীয় শহর, দারুণ খাবার আর গোপন সৌন্দর্যের লীলাভূমি!

এআই কি পারবে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে? সাহিত্যিক ইশিগুরোর বিস্ফোরক মন্তব্য!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Sunday, March 9, 2025,

নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো: ভবিষ্যতের সাহিত্য ও অনুভূতির জগতে প্রযুক্তির প্রভাব

আজকের ডিজিটাল যুগে, যখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্রুত বিস্তার লাভ করছে, তখন সাহিত্য, শিল্পকলা এবং মানুষের অনুভূতির ওপর এর প্রভাব নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কথা বলেছেন খ্যাতিমান সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো। তিনি মনে করেন, অদূর ভবিষ্যতে AI মানুষের আবেগ-অনুভূতিকে প্রভাবিত করতে বিশেষভাবে দক্ষ হয়ে উঠবে।

কাজুও ইশিগুরো, যিনি “নেভার লেট মি গো” (Never Let Me Go), “দ্য রিমেইন্স অফ দ্য ডে” (The Remains of the Day) এর মতো উপন্যাসগুলির জন্য সুপরিচিত, বর্তমানে ৭০ বছর বয়সী। সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার এবং নাইট উপাধি ছাড়াও তিনি সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর লেখালেখি, শৈলী, এবং ভবিষ্যতের সাহিত্য ও সমাজে AI-এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

ইশিগুরো বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন, কিভাবে AI মিথ্যা তথ্যের বিস্তার ঘটাতে পারে এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে সমাজের ক্ষতি করতে পারে। তিনি মনে করেন, “পোস্ট-ট্রুথ” যুগে, যেখানে তথ্যের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে, সেখানে AI আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে। উদাহরণস্বরূপ, রাজনৈতিক দলগুলো AI ব্যবহার করে ভোটারদের আবেগ-অনুভূতিকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণতন্ত্রের জন্য একটি বড় হুমকি।

তাঁর মতে, AI খুব দ্রুত মানুষের রাগ, দুঃখ, এমনকি হাসির কারণগুলোও বুঝতে পারবে এবং সেগুলোকে কাজে লাগাতে পারবে। সাহিত্য, চলচ্চিত্র এবং শিল্পের অন্যান্য মাধ্যমেও AI-এর প্রভাব পড়বে। ইশিগুরো মনে করেন, লেখকদের কাজকে রক্ষা করতে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

“নেভার লেট মি গো” উপন্যাসের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই উপন্যাসটি মানুষের জীবনের গভীর আকাঙ্ক্ষা এবং মৃত্যুর ভয় নিয়ে লেখা। যেখানে একটি কাল্পনিক সমাজে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য শিশুদের ক্লোন করা হয়। উপন্যাসটি পাঠককে ভালোবাসার গুরুত্ব এবং জীবনের অনিশ্চয়তা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করে।

ইশিগুরো তাঁর লেখার শৈলী নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি স্বীকার করেন যে তাঁর লেখার দুর্বলতাও রয়েছে। তিনি প্রথম-পুরুষের বর্ণনায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং চরিত্রগুলির কণ্ঠস্বর ফুটিয়ে তুলতে পছন্দ করেন। তাঁর কাজের অনুপ্রেরণা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বব ডিলান, স্ট্যানলি কুবরিকের মতো শিল্পীদের কথা উল্লেখ করেন, যারা বিভিন্ন ধরনের শৈলী নিয়ে কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি একটি নতুন উপন্যাস লিখছেন, যা একটি ট্রেনের কামরার মধ্যে ঘটিত কিছু ঘটনা নিয়ে গঠিত। এটি সম্ভবত তাঁর আগের কাজের থেকে কিছুটা ভিন্ন হবে, তবে এর মধ্যেও গভীরতা থাকবে।

কাজুও ইশিগুরোর এই সাক্ষাৎকারটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। প্রযুক্তির এই যুগে, আমাদের সচেতন থাকতে হবে, যাতে AI-এর অপব্যবহার আমাদের সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে। একই সঙ্গে, সাহিত্যের মাধ্যমে আমরা মানুষের আবেগ, সম্পর্ক এবং জীবনের গভীরতা সম্পর্কে জানতে পারি।

তথ্য সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT