1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 4, 2025 2:49 PM
সর্বশেষ সংবাদ:
এনএসএ প্রধানকে বরখাস্ত: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে হতবাক ডেমোক্র্যাটরা! ফর্মুলা ওয়ানে সুনোদার বিজয়: জাপানে রেড বুল চালকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স! হিমবাহের ভয়াবহ পরিবর্তন: ছবিগুলো দেখলে শিউরে উঠবেন! ট্রাম্প: গল্ফ বিশ্বে আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত! নিষিদ্ধ জীবন থেকে ফাইনাল ফোরে: বাস্কেটবলের জগতে এক নতুন ইতিহাস! কারির বিধ্বংসী রূপে উড়ে গেল লেকার্স! খেলা শেষে কি হলো? যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী! ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলায় ত্রাণকর্মীদের ‘ফাঁসি’, বিস্ফোরক অভিযোগ! ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতি: বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত! এডি শিরানের ‘আজিজাম’ : পার্সিয়ান পরীক্ষা! গানটি শুনে কী মনে হলো?

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিতে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় বার্তা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Thursday, April 3, 2025,

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা, ঐক্যের বার্তা নিয়ে গ্রিনল্যান্ডে ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন গ্রিনল্যান্ডে সফর করেছেন। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা। সম্প্রতি, গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রহের প্রেক্ষাপটে এই সফরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্রেডেরিকসেনের এই সফরে গ্রিনল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন এবং বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মুতে ব. এগেদে-ও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন, যেখানে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যেকার সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সফরকালে ফ্রেডেরিকসেন স্পষ্টভাবে জানান, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, “গ্রিনল্যান্ডের কোনো কঠিন পরিস্থিতিতে পড়লে, ডেনমার্ক এবং ইউরোপও সেই পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকতে পারে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনা হতে পারে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব, সীমান্ত এবং ভবিষ্যতের উপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হলে, ডেনমার্ক সবসময় গ্রিনল্যান্ডের পাশে থাকবে।

ট্রাম্পের প্রতি ইঙ্গিত করে ফ্রেডেরিকসেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবে না। গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডের মানুষেরই থাকবে।”

এর আগে, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স গ্রিনল্যান্ড সফর করেন। তবে সেই সফরে গ্রিনল্যান্ডের কোনো প্রতিনিধি বা ডেনমার্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়নি। ফ্রেডেরিকসেনের এই সফর ছিল ভান্সের সফরের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সম্ভাব্য খরচ এবং এর থেকে কত রাজস্ব আয় করা যেতে পারে, সে বিষয়ে একটি হিসাব তৈরির প্রস্তুতি চলছে বলেও জানা গেছে। শোনা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে বর্তমানে ডেনমার্কের দেওয়া অর্থের চেয়ে বেশি, সম্ভবত বছরে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৬৬০০ কোটি টাকার বেশি) ভর্তুকি দিতে পারে।

গ্রিনল্যান্ড একসময় ডেনমার্কের উপনিবেশ ছিল। বর্তমানে এটি ডেনমার্ক রাজ্যের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, যেখানে ডেনমার্কই পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলন জোরদার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রহ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে এর গুরুত্ব বাড়ছে। তাই, ডেনমার্ক চাইছে গ্রিনল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে কোনো বৃহৎ শক্তি যেন সেখানে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

তথ্য সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT