সlovakিয়ায় সম্প্রতি একটি মারাত্মক ভাল্লুক হামলার ঘটনার পর দেশটির সরকার ৩৫০টি ভাল্লুক নিধনের অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি ৫৯ বছর বয়সী ছিলেন এবং গত রবিবার মধ্য স্লোভাকিয়ায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়।
পরিবেশমন্ত্রী টমাস তারাবা জানিয়েছেন, মানুষের উপর ভাল্লুকের আক্রমণের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। গত বছর প্রায় ১,৯০০টি এমন ঘটনা ঘটেছে।
স্লোভাকিয়ার বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, বর্তমানে দেশটিতে এক হাজারের বেশি বাদামী ভাল্লুকের বসবাস।
প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো বলেছেন, “আমরা এমন একটি দেশে বাস করতে পারি না যেখানে মানুষ বনে যেতে ভয় পায়।” এই ঘোষণার পরেই দেশটির ৭২টি জেলার মধ্যে ৫৫টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
এর ফলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় সরাসরি ভাল্লুক নিধনের অনুমতি দিতে পারবে।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। তাদের মতে, সরকার আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করছে এবং ভাল্লুক নিধনের পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এর আগে ১৪৪টি ভাল্লুক হত্যার অনুমতি দিয়েছিল স্লোভাকিয়া সরকার। প্রতিবেশী দেশ রোমানিয়াও গত বছর একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
বন্যপ্রাণী এবং মানুষের মধ্যে সংঘাত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। আমাদের দেশেও, যেমন সুন্দরবন অঞ্চলে বাঘের আক্রমণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলে হাতির আক্রমণে প্রায়ই মানুষের জীবনহানির ঘটনা ঘটে।
স্লোভাকিয়ার এই ঘটনাটি বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনার জটিলতাকেই তুলে ধরে।
তথ্য সূত্র: সিএনএন