যুক্তরাষ্ট্রের একটি শহর, স্কটসডেল, অবসর গ্রহণের জন্য সেরা স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। সম্প্রতি, Niche.com নামক একটি সংস্থা তাদের বার্ষিক তালিকায় এই শহরের নাম ঘোষণা করেছে।
এই তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে, আবহাওয়া, জীবনযাত্রার মান, সক্রিয় জীবনধারা এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে।
অবসর জীবন কাটানোর জন্য স্কটসডেল-এর এই স্বীকৃতি অনেকের মনেই নতুন করে আগ্রহ জাগাচ্ছে। আমেরিকার নাগরিকদের জন্য শহরটি “পারফেক্ট ওয়েসিস” হিসেবে পরিচিত।
এখানকার মনোরম আবহাওয়া, বহিরঙ্গন কার্যকলাপের সুযোগ, এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মান একে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তবে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি একটু ভিন্ন।
অবসর গ্রহণের পর বিদেশে বসবাস করা একটি বিশাল সিদ্ধান্ত, তাই সেখানকার সুযোগ-সুবিধাগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
স্কটসডেল-এর মূল আকর্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এর মরুভূমির দৃশ্য, হাইকিংয়ের সুযোগ এবং পুরাতন শহরের আকর্ষণীয় জীবনযাত্রা—সবকিছুই মানুষকে আকৃষ্ট করে।
এছাড়াও, এখানে গলফ খেলারও চমৎকার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে, এখানকার জীবনযাত্রার ব্যয় বেশ বেশি।
উদাহরণস্বরূপ, এখানকার একটি বাড়ির গড় মাসিক ভাড়া ১,৯০০ ডলারের বেশি এবং বাড়ির দাম প্রায় ৭,১০,০০০ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ অনেক বেশি হবে, যা অনেকের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। (এই হিসাব লেখার সময়কার বিনিময় হার অনুযায়ী)।
অবশ্যই, স্কটসডেল-এর জীবনযাত্রার মান উন্নত। এখানকার আবাসন ব্যবস্থা, খাদ্য ও কেনাকাটার সুযোগ, এবং বিভিন্ন ধরনের বিনোদন ব্যবস্থা—সবকিছুই উন্নত জীবনযাত্রার ইঙ্গিত দেয়।
তবে, যারা বিদেশে অবসর জীবন কাটানোর কথা ভাবছেন, তাদের জন্য এটি একটি ব্যয়বহুল বিকল্প হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহর যেমন—ফ্লোরিডার ক্লিয়ারওয়াটার, লুইজিয়ানার মেটারিয়ে, ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং ফ্লোরিডার কেপ কোরালও অবসর গ্রহণের জন্য সেরা স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম।
সুতরাং, স্কটসডেল নিঃসন্দেহে একটি সুন্দর শহর, যেখানে উন্নত জীবন কাটানো সম্ভব। তবে, যারা বাংলাদেশ থেকে এখানে যেতে আগ্রহী, তাদের এখানকার উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
একটি সুন্দর জীবন এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি, আর্থিক দিকটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: ট্রাভেল অ্যান্ড লেজার