1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 3, 2025 8:43 PM
সর্বশেষ সংবাদ:
ছেলেকে ঘৃণা করি! মা হিসেবে এমন অনুভূতি হলে কী করবেন? আতঙ্কে মানুষ! ভয়াবহ ঘটনার পর ৩০০ ভালুক মারার সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক চার্চে নারী ইমাম নিয়োগে ব্যর্থ, বিচারকের সিদ্ধান্তে বিতর্ক! সোহার হোটেলে থাকুন, আর নিউ ইয়র্কের গোপন ক্লাবে ঢোকার সুযোগ! একদিনে বই লেখা! ন্যানোরাইমোর স্মৃতিচারণ! ১.৫ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব: গল্ফ অঙ্গনে সৌদি আরবের ‘চাপ’ নস্যাৎ! ভ্যাল কিলমারের মৃত্যু: ‘সাহসী’ বন্ধুকে স্মরণ করলেন শের! আতঙ্কে বিশ্ব! ট্রাম্পের শুল্ক: মেরু ভালুকের দেশও ছাড়েনি! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের হুমকিতে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় বার্তা! রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞায় এলটন জন এইডস ফাউন্ডেশন: স্তম্ভিত বিশ্ব!

বইয়ের দুনিয়ায় আলোড়ন! বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বইয়ের দোকান?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Wednesday, April 2, 2025,

ভূমধ্যসাগরের শহর ভেনিসের একটি বইয়ের দোকান, ‘আকুয়া আলতা’। এর খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে।

ইতালির এই লাইব্রেরি, যা জলমগ্ন হওয়ার হাত থেকে বই বাঁচাতে গন্ডোলা (venetian gondola) এবং বাথটাবের মতো অভিনব উপায় ব্যবহার করে, তা ইতিমধ্যেই পর্যটকদের কাছে এক অত্যাশ্চর্য গন্তব্য হয়ে উঠেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভেনিসের বিভিন্ন অংশে প্রায়ই বন্যা দেখা যায়।

তাই এখানকার লাইব্রেরিগুলিকেও টিকে থাকার জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হচ্ছে। ‘আকুয়া আলতা’ তেমনই এক উদাহরণ।

লাইব্রেরিটির মালিক লুইগি ফ্রিজো।

তিনি ২০০২ সালে এই লাইব্রেরিটি খোলেন।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ভেনিসে প্রায়ই জল আসে।

তাই বইগুলিকে রক্ষার জন্য ফ্রিজো এক অভিনব কৌশল অবলম্বন করেন।

তিনি বইগুলিকে গন্ডোলা এবং বাথটাবের মধ্যে রাখেন।

গন্ডোলা হল ভেনিসের ঐতিহ্যবাহী লম্বাটে ধরনের নৌকা, যা একসময় এখানকার মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম ছিল।

এই লাইব্রেরিটি এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছে যে, পর্যটকদের কাছে এটি এখন একটি বিশেষ আকর্ষণ।

সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে, ‘আকুয়া আলতা’ যেন এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

বিশেষ করে TikTok এবং Instagram-এর মতো প্ল্যাটফর্মে এর ছবি ও ভিডিওগুলি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

এর ফলস্বরূপ, প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটে এখানে।

পর্যটকদের মধ্যে অনেকেই আসেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য।

লাইব্রেরির ভেতরে থাকা গন্ডোলা, বাথটাব এবং পুরনো বইয়ের স্তূপ তাদের ছবি তোলার জন্য আদর্শ স্থান।

তবে, এই বিপুল সংখ্যক পর্যটকদের ভিড় সামলানোও একটি চ্যালেঞ্জ।

লাইব্রেরির কর্মী ডায়ানা জান্দা জানিয়েছেন, ১০ জনের বেশি দল হলে তাদের আগে থেকে জানাতে বলা হয়।

ছবি তোলার জন্য দর্শকদের কয়েক মিনিটের বেশি সময় দেওয়া হয় না, যাতে অন্যরা ছবি তোলার সুযোগ পান।

এমনকি, লাইব্রেরির কর্মীরা পর্যটকদের ছবি তোলার বিষয়েও সাহায্য করেন।

বইয়ের দোকানগুলি যে এখন শুধু বই বিক্রির জায়গা নয়, বরং পর্যটকদের আকর্ষণে পরিণত হয়েছে, এমনটাই মনে করেন লেখক হোর্হে কারিওন।

তাঁর মতে, Instagram আসার পর থেকে পর্যটকদের রুচিও বদলেছে।

এখন মানুষ সুন্দর ছবি তোলার জন্য আকর্ষণীয় স্থান খুঁজে ফেরে, আর ‘আকুয়া আলতা’ সেই চাহিদা পূরণ করে।

এই লাইব্রেরি টিকে আছে মূলত পুরনো ও দুষ্প্রাপ্য বই বিক্রি করে।

এখানে ১৯০৩ সালে প্রকাশিত ইতালীয় কবি কোরাদো গোভানির ‘লে ফিয়ালে’ (Le Fiale) -এর প্রথম সংস্করণটি পাওয়া যায়, যার দাম প্রায় ১,৬১৯ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭৭,০০০ টাকা)।

‘আকুয়া আলতা’ শুধু একটি বইয়ের দোকান নয়, এটি একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং পর্যটকদের আকর্ষণ—দুয়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

হয়তো ভবিষ্যতে, অন্যান্য শহরের লাইব্রেরিগুলিও তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এই ধরনের উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তথ্য সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT