1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 4, 2025 2:45 PM
সর্বশেষ সংবাদ:
এনএসএ প্রধানকে বরখাস্ত: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে হতবাক ডেমোক্র্যাটরা! ফর্মুলা ওয়ানে সুনোদার বিজয়: জাপানে রেড বুল চালকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স! হিমবাহের ভয়াবহ পরিবর্তন: ছবিগুলো দেখলে শিউরে উঠবেন! ট্রাম্প: গল্ফ বিশ্বে আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত! নিষিদ্ধ জীবন থেকে ফাইনাল ফোরে: বাস্কেটবলের জগতে এক নতুন ইতিহাস! কারির বিধ্বংসী রূপে উড়ে গেল লেকার্স! খেলা শেষে কি হলো? যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী! ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলায় ত্রাণকর্মীদের ‘ফাঁসি’, বিস্ফোরক অভিযোগ! ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতি: বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত! এডি শিরানের ‘আজিজাম’ : পার্সিয়ান পরীক্ষা! গানটি শুনে কী মনে হলো?

ছেলেকে ঘৃণা করি! মা হিসেবে এমন অনুভূতি হলে কী করবেন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Thursday, April 3, 2025,

একটি ১৫ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এক মায়ের মানসিক উদ্বেগের কথা। আজকাল কিশোর বয়সটা যেন এক কঠিন সময়। ছেলেটি প্রায়ই অবাধ্য হয়, সম্মান দেখায় না, এবং মায়ের কাছে সে অসহ্য হয়ে ওঠে। মা হিসেবে তিনি ছেলেকে একদম সহ্য করতে পারেন না।

এমনকী, তিনি তার ছেলেকে ঘৃণা করেন। এর ফলে তিনি গভীর হতাশায় ভুগছেন। মা হওয়ার এই অভিজ্ঞতা তার কাছে সবচেয়ে খারাপ লাগছে।

এমন পরিস্থিতিতে একজন মা হিসেবে তিনি কিভাবে এই অনুভূতিগুলোর মোকাবেলা করবেন? মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রথম পদক্ষেপ হলো, এই অনুভূতিগুলোকে ‘ঘৃণা’ হিসেবে চিহ্নিত না করা। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা সবসময় ভালো লাগা নিয়ে আসে না, বিশেষ করে কৈশোরে যখন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে তাদের আচরণে ভিন্নতা দেখা যায়।

অনেক বাবা-মা আছেন যারা মাসের পর মাস ধরে রাগ, বিরক্তি, এমনকি সন্তানের থেকে দূরে থাকতে চান।

সমস্যা হলো, আমাদের সমাজে মা ও ছেলের সম্পর্ককে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই, সন্তানের প্রতি কোনো নেতিবাচক অনুভূতি প্রকাশ করা কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে, নিজের ভেতরের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে না পারলে তা আরও তীব্র হতে পারে।

নিজেকে খারাপ মা ভাবার পরিবর্তে, “ছেলের এই আচরণটা আমার ভালো লাগছে না” অথবা “ছেলে এমন করলে আমার খারাপ লাগে” – এমনভাবে চিন্তা করা যেতে পারে। এতে হয়তো নিজের কাছে কিছুটা সহজ মনে হবে।

যদি মায়ের মনে হয়, তিনি তার সন্তানের কাছ থেকে দূরে থাকতে চান, তবে সম্ভবত তিনি সেই “আমি” থেকে দূরে থাকতে চাইছেন, যিনি ছেলের এই ধরনের আচরণের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। এই ধরনের অনুভূতিগুলো থেকে মুক্তি পেতে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

কারণ, এই ধরনের মানসিক চাপ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে তা মা ও ছেলে উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

কৈশোরে ছেলেটির আচরণে মায়ের কষ্ট হলেও, এটাও মনে রাখতে হবে যে, এই সময়টা তাদের জন্য কঠিন। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে তাদের মধ্যেও অনেক পরিবর্তন আসে, যা তাদের আচরণে প্রতিফলিত হয়।

তবে, তাদের চরিত্র এখনো গঠিত হচ্ছে, এবং তাদের প্রতি অন্যদের প্রতিক্রিয়া তাদের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই, ধৈর্য ধরে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।

কিশোর বয়সে সৃষ্ট কষ্টের স্মৃতিগুলো থেকে অনেকেই শিক্ষা নিতে পারে, যদি তাদের পাশে পর্যাপ্ত সমর্থন থাকে। মা-ছেলের সম্পর্ক পরিণত বয়সে সুন্দর হতে পারে, যদি বর্তমান সম্পর্ক ভালো থাকে।

মা হিসেবে, এখনকার অনুভূতিগুলো স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা উচিত। সন্তানের খারাপ আচরণে রাগ, বিরক্তি আসতেই পারে, তবে এটিকে ঘৃণা হিসেবে দেখা উচিত নয়।

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অনেক সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। আপনি যদি এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন, তবে দেরি না করে সাহায্য নিন। আপনার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকলে, পরিবারের অন্য সদস্যরাও ভালো থাকবে।

সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন:

  • জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট: [যোগাযোগের নম্বর]
  • আঁচল ফাউন্ডেশন: [যোগাযোগের নম্বর]
  • মনের বন্ধু: [যোগাযোগের নম্বর]

তথ্য সূত্র: The Guardian

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT