1. [email protected] : adminb :
  2. [email protected] : Babu : Nurul Huda Babu
April 4, 2025 2:51 PM
সর্বশেষ সংবাদ:
এনএসএ প্রধানকে বরখাস্ত: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে হতবাক ডেমোক্র্যাটরা! ফর্মুলা ওয়ানে সুনোদার বিজয়: জাপানে রেড বুল চালকের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স! হিমবাহের ভয়াবহ পরিবর্তন: ছবিগুলো দেখলে শিউরে উঠবেন! ট্রাম্প: গল্ফ বিশ্বে আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত! নিষিদ্ধ জীবন থেকে ফাইনাল ফোরে: বাস্কেটবলের জগতে এক নতুন ইতিহাস! কারির বিধ্বংসী রূপে উড়ে গেল লেকার্স! খেলা শেষে কি হলো? যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী! ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলায় ত্রাণকর্মীদের ‘ফাঁসি’, বিস্ফোরক অভিযোগ! ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতি: বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত! এডি শিরানের ‘আজিজাম’ : পার্সিয়ান পরীক্ষা! গানটি শুনে কী মনে হলো?

ট্রাম্পের শুল্ক: আসল হিসাবটা কি গোপন?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট হয়েছে : Thursday, April 3, 2025,

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের যে প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শুল্ক নির্ধারণের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছে, তা ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ।

এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন ‘পাল্টা শুল্ক’ আরোপের কথা বললেও, তারা আসলে প্রচলিত পদ্ধতির বদলে একটি সরল হিসাব ব্যবহার করেছে। সাধারণত, কোনো দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে অন্য দেশগুলোও একই হারে শুল্ক বসায়।

কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন সেই পথে হাঁটে নি। তারা একটি সহজ হিসাব ব্যবহার করেছে: একটি দেশের বাণিজ্য ঘাটতিকে সেই দেশে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি দিয়ে ভাগ করে, তার অর্ধেক ফলকে শুল্কের হার হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির হিসাব ধরা যাক। ২০২৪ সালে, চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২৯ হাজার ৫৪০ কোটি মার্কিন ডলার।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৪৩ হাজার ৯৯০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। এই হিসাব অনুযায়ী, চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল দেশটির মোট রপ্তানির ৬৭ শতাংশের সমান।

ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরোপিত শুল্ক’ হিসেবে চিহ্নিত করে।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হিসাবের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই। জোনস ট্রেডিংয়ের প্রধান বাজার কৌশলবিদ মাইক ও’রোর্কের মতে, এই পদ্ধতিতে প্রকৃত শুল্কের কোনো হিসাব ব্যবহার করা হয়নি।

বরং, যে দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি বেশি, তাদেরকেই মূলত লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই ধরনের শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ, এর ফলে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির মুনাফায় বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

সরবরাহ শৃঙ্খলেও দেখা দিতে পারে জটিলতা।

যদিও এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ওপর এর সরাসরি প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না, তবে বিশ্ব অর্থনীতির এই ধরনের পরিবর্তনে উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও প্রভাব পড়তে পারে।

তথ্য সূত্র: সিএনএন

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2019 News 52 Bangla
Theme Customized BY RASHA IT