শিরোনাম: প্যারিসে নতুন জীবন, ইউরোর স্বপ্নে বিভোর ইংলিশ গোলরক্ষক মেরি আর্পস
গত বছর, ক্রীড়া জগৎ থেকে আসা বিপুল আলোচনার স্রোত থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে প্যারিসের আলো ঝলমলে জীবনে নতুন করে মনোযোগ দিয়েছেন ইংলিশ নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক মেরি আর্পস। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রাক্তন এই তারকা এখন খেলছেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি)।
মাঠের খেলায় উন্নতি এবং বাইরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতেই তার এই সিদ্ধান্ত।
২০২৩ সালে বর্ষসেরা ক্রীড়াব্যক্তিত্বের খেতাব জেতার পর আর্পসের জীবনে আসে বিপুল খ্যাতি। সেই আলো ঝলমলে জীবন থেকে যেন একটু আড়ালে আসতেই পিএসজিতে যোগ দেন তিনি।
আর্পস জানান, এই পরিবর্তনের ফলে তিনি ফুটবলার হিসেবে নিজের উন্নতির দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারছেন। তার মতে, খেলোয়াড় জীবন খুব বেশি দীর্ঘ নয়, তাই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
আর্পসের ভাষ্যমতে, ফ্রান্সের লিগে খেলার মান খুবই উঁচু। পিএসজির হয়ে খেলার সুবাদে তিনি প্রতিনিয়ত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।
এখানকার খেলোয়াড়দের কারিগরি দক্ষতা অসাধারণ, যা তাকে আরও পরিণত খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তুলছে। ফরাসি লিগে খেলার অভিজ্ঞতা তার খেলার ধরনে এনেছে সূক্ষ্ম পরিবর্তন।
গোলরক্ষক কোচের ভিন্নতাও তাকে প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখাচ্ছে।
ইংল্যান্ডের নারী ফুটবল দল ‘দ্য লায়নেস’-এর হয়ে খেলার পাশাপাশি আসন্ন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন আর্পস। এই টুর্নামেন্টের জন্য দলের সেরা গোলরক্ষক হওয়ার দৌড়ে তিনি লড়ছেন চেলসির গোলরক্ষক হান্নাহ হ্যাম্পটনের সঙ্গে।
আর্পস মনে করেন, দলের গভীরতা অনেক শক্তিশালী, যা তাদের বড় টুর্নামেন্ট জেতার সম্ভাবনা বাড়ায়।
আর্পস জানান, সম্প্রতি স্পেনের বিপক্ষে জয় তাদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। দলের খেলোয়াড় এবং ম্যানেজমেন্ট সবসময় ভালো পারফর্ম করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে।
তিনি আরও যোগ করেন, দলের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে, নতুন খেলোয়াড় এসেছে, এমনকি ইনজুরির কারণেও অনেক সমস্যা হয়েছে।
সবকিছুকে সঙ্গে নিয়ে তারা একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে।
আগামী গ্রীষ্মে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে আর্পসকে ইংল্যান্ডের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে দেখা যাবে কিনা, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তবে, তিনি নিজের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। আর্পস চান, এই টুর্নামেন্টে তিনি যেন তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।
তথ্য সূত্র: The Guardian