চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ: প্রতিরোধের অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অঙ্গীকার করেছে চীন। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও সম্প্রতি এক বক্তব্যে জানান, বাণিজ্য যুদ্ধে
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছু বাণিজ্য শুল্ক কমানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এশিয়ার শেয়ার বাজারে বৃহস্পতিবার ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীরা এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে জাপানের শেয়ার
যুক্তরাষ্ট্রের একটি অতি পরিচিত মুদ্রা হল পেনি, যা তৈরি করতে প্রায় চার সেন্ট খরচ হয়। কিন্তু এই ক্ষুদ্র মুদ্রাটি নিয়ে এখন চলছে বিতর্ক। দেশটির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পেনি
পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পানামার প্রেসিডেন্ট জোসে রাউল মুলিনো। ট্রাম্পের ‘খালটি পুনরুদ্ধারের’ দাবিকে মিথ্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। সম্প্রতি, পানামা
যুক্তরাষ্ট্র সরকার কানাডা ও মেক্সিকোর উপর আরোপিত শুল্কের কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভবত এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে পারেন। মঙ্গলবার শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ: ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া শুল্কের সিদ্ধান্তের জেরে কানাডা, মেক্সিকো এবং চীনের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন করে প্রশ্নের
আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, শুল্ক বৃদ্ধি ও বাণিজ্যের উদ্বেগে এশীয় শেয়ারের পতন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে, আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার সূচক এস এন্ড পি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা (আইআরএস) তাদের কর্মী সংখ্যা অর্ধেকের বেশি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। এই খবরটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায়
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে পরিবর্তনের ফলে চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া শুল্ক নীতির কারণে এই দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ চরম আকার
পানামা খালের গুরুত্বপূর্ণ দুটি বন্দরের নিয়ন্ত্রণ অবশেষে একটি মার্কিন কনসোর্টিয়ামের হাতে যাচ্ছে। হংকংভিত্তিক একটি কোম্পানির কাছ থেকে ব্ল্যাকরক ইনকর্পোরেটেড, গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার পার্টনার্স এবং টার্মিনাল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-এর সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়াম